পেট্রাপোল সীমান্তে যাত্রী টার্মিনাল ভবন, মৈত্রী দ্বার উদ্বোধন করেন অমিত শাহ। সেখানেই তিনি বলেন, 'গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের উন্নতিতে অনেক কাজ করেছেন। বাংলার মনুষের কিছু আক্ষেপ রয়েছে। 

পশ্চিমবঙ্গে এসে পরিবর্তনের ডাক দিলেন অমিত শাহ। তাও আবার সরকারি অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বনগাঁয় বিএসএফ-এর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন রবিবার। সেখানে থেকেই অমিত শাহ বলেন, 'বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় আর অনুপ্রবেশের সমস্য থাকবে না।' তিনি বলেন বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে বেআইনি অনুপ্রবেশ বন্ধ করে দেবে বিজেপি সরকার। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও এই অনুষ্ঠান থেকে নিশানা করেন অমিত শাহ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এদিন পেট্রাপোল সীমান্তে যাত্রী টার্মিনাল ভবন, মৈত্রী দ্বার উদ্বোধন করেন অমিত শাহ। সেখানেই তিনি বলেন, 'গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের উন্নতিতে অনেক কাজ করেছেন। বাংলার মনুষের কিছু আক্ষেপ রয়েছে। কিন্তু চিন্তা নেই ২০২৫ সালের নির্বাচনের পর সেই খেদ মিটিয়ে দেবে বিজেপি সরকার। পশ্চিমবঙ্গে স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ মোদীর নেতৃত্বে খুবভাল কাজ করছে। গোটা এলাকার উন্নয়ন হচ্ছে। আমাকে শান্তনু ঠাকুর জানালেন চিরিৎসার জন্য বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ৫-৬ হাজার মানুষ প্রতিদিন কল্যাণী এমসে চিকিৎসার জন্য আসেন। ২০২৬ সালে আপনারা পরিবর্তন এনে দিন রাজ্যে বেআইনি অনুপ্রবেশ বন্ধ করে দেব। উন্নয়নই মোদীক একমাত্র লক্ষ্য। '

এদিন অমিত শাহ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি কংগ্রেসকেও নিশানা করেন। তিনি বলেন, 'গত ১০ বছরে বাংলাকে কী দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? তৃণমূল কংগ্রেস তো কংগ্রেসের জোটে রয়েছে। কেন্দ্রে কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালীন বাংলাকে ২.৯ কোটি টাকা দিয়েছিল। কিন্তু মোদী সরকার বাংলাকে দশ বছরে ৭.৭৪ কোটি টাকা দিয়েছে। কিন্তু মোদীর দেওয়া টাকা বাংলায় এসে দুর্নীতির বলি হয়। বাংলায় আচ্ছে দিন আর বেশি দূরে নেই। আমরা বাংলাকে উন্নত আরও সুজলা সুফলা করে তুলব। ' তিনি আরও বলেন, মোদী সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়িয়েছে। বাংলায় ব্যবস্থা বাড়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান বেড়েছে বলেও দাবি করেন অমিত শাহ।

দুপুরে সল্টলেকে পূর্বঞ্চলীয় সংস্কৃতি কেন্দ্র বা ইজেডসিসিতে বিজেপির দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। রবিবার বিজেপি সদস্যপদ সংগ্রহ অভিযানের সূচনা করবে। বিজেপি সূত্রে খবর এই সফরেই তিনি নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারেন। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানান হয়নি। অন্যদিকে এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকও কিছু জানায়নি