Shamik On SIR:  এসআইআর ইস্যুতে এবার রাজ্যের শাসক শিবির তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের। কী বলেছেন তিনি? জানুন বিশদে…

Shamik On SIR: অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে চাইছে তৃণমূল। SIR প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন। তিনি বলেন, ‘’SIR নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে করা হচ্ছে। তৃণমূল এই বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। SIR থেকে কোনও ভারতীয় নাগরিকের ভয়ের কিছু নেই। এই প্রক্রিয়ার লক্ষ্য অবৈধ ভোটার, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গা মুসলমানদের শনাক্ত করা।'' তিনি আরও বলেন, ‘’SIR চালু হওয়ায় তৃণমূল হতাশ।'' 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কী বললেন শমীক ভট্টাচার্য?

‘’নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে যাচাই প্রক্রিয়া করবেন, কিন্তু তৃণমূল বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য নিজেদের দলীয় অফিসে লোকজনকে ডেকে নিচ্ছে। রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি মুসলমান অনুপ্রবেশকারীরা তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক। তৃণমূল যা-ই করুক না কেন, অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে পারবে না। তিনি আরও দাবি করে বলেন, ‘’২০২৬ সালের নির্বাচনে বাংলার মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের বিসর্জন দিতে চলেছে। তৃণমূলের বিসর্জন অনিবার্য।'' 

অন্যদিকে, SIR এর ফর্ম পূরণ করে দেওয়ার কথা বলায় তৃণমূলের সক্রিয় সদস্যের নির্দেশে রেল লাইনের পাশে ধরে মহিলা কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে মহেশতলা পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে জগন্নাথ নগর মেলাঘাটা এলাকায়। 

আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সুপ্রিয়া মন্ডলের দাবি, তিনি বিজেপির ১০৪ নম্বর বুথের বুথ সভাপতি। তিনি মানুষকে বোঝাচ্ছিলেন এসআইআর নিয়ে। সেই সময় তৃণমূলের এক কর্মী যাচ্ছিলেন রাস্তা দিয়ে। সুপ্রিয়া যখন বাড়ি ফিরছিলেন দুপুরে বারোটা নাগাদ তখন তাকে গালিগালাজ করা হয়। গালি গালাজ করেন সুপ্রিয়ার এক প্রতিবেশী।

অভিযোগ, এরপর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সোমা বেরার লোকজন বেশকিছু মহিলা তাকে রেল লাইনে ফেলে মারধর করে। সুপ্রিয়ার হাত মুচড়ে, চুলের মুঠি ধরে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পাঁচ থেকে ছয় জন মহিলা মিলে মারধর করে। এরপর মহেশতলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। সেখান থেকে তাঁকে বিদ্যাসাগর হাসপাতালে পাঠানো হয় চিকিৎসার জন্য।

যদিও গোটা ঘটনায় মহেশতলা পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলের সোমা বেরা বলেন, '’এই বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন। বিজেপি কর্মী সুপ্রিয়া মণ্ডল এবং যার সাথে বিবাদ হয়েছে এরা পরস্পর প্রতিবেশী। এদের মধ্যে প্রায়শই গালিগালাজ এবং হাতাহাতি লেগে থাকে। প্রতিবেশীদের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতিকে রাজনৈতিক রঙ লাগানো হচ্ছে, তৃণমূলকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে। এতে রাজনীতির কোন বিষয় নেই। এবং এসআইআর- এর কোন সম্পর্ক নেই।''

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।