Basirhat Sir Hearing Update: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অমান্য করেই চলছে এসআইআর-ভোটার শুনানি। শুনানি কেন্দ্রে হাজির অসহায় বৃদ্ধ-অশীতিপর নাগরিকরা। কী বলছেন তাঁরা? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Basirhat Sir Hearing Update: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অমান্য। এসআইআর-এর শুনানির লাইনে বিশেষ চাহিদা সম্পন্নরা। শারীরিক ভারসাম্য হারিয়েছে পথ চলতে পারেন না। শারীরিক ক্ষমতা লুপ্ত হয়েছে নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে শুনানি কেন্দ্রে এসে হয়রানির শিকার বসিরহাটের দু নম্বর ব্লকের ধান্যকুড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বয়স্ক বৃদ্ধ-বৃদ্ধা। বিশেষ চাহিদা সম্পন্নরা। বসিরহাট খোলাপোতা বিডিও অফিসে হেয়ারিং এর শুনানির ডাক পেয়েছে বছর ৭০ ফিরোজা খাতুন। বছর ৮০ কাজী মকবুল আরেফিন, বাড়ি নেয়ালপুর গ্রামে, যেখানে আশি থেকে নব্বই শতাংশ প্রতিবন্ধী।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ ছিল, যাদের বাড়িতে গিয়ে হেয়ারিং করার নির্দেশ ছিল তাদেরকে শুনানি লাইনে দেখা যাচ্ছে। এক মহিলা বিএলএ- নাম জানাতে অনিচ্ছুক তিনি বলেন, ‘’এটা সম্পূর্ণ বেআইনি ওনাদের হেয়ারিং সেন্টারে আসতেই হবে না বাড়িতে গিয়ে শুনানি।'' বিএলও কেন করল না নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশ নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন অসুস্থ বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, বিশেষ চাহিদা সম্পন্নরা।

নাগরিকত্ব প্রমাণের নামে প্রহসনের অভিযোগ:- 

কাজী মাহমুদ হাসান বলেন, ‘’যেভাবে কমিশন এক এক সময় এক এক নির্দেশিকা জারি করছে তাতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার এই বয়স্ক মানুষগুলো ৪০ বছর ধরে ভারতীয় নির্বাচন প্রক্রিয়া অংশগ্রহণ করছেন এদেশের বংশ পরম্পরায় নাগরিক শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কলকাতা থেকেএই বয়সে এসে তাদেরকে নিজের পরিচয় পত্র রাখার জন্য নাগরিকত্ব নামে প্রহসন চলছে।'' 

উল্লেখ্য, এর আগে অবশ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল যে- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) ২০২৬-এ মাধ্যমিক (ক্লাস X) পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডকে বৈধ নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে না—এই মর্মে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানায় নির্বাচন কমিশন অব ইন্ডিয়া (ECI)। চলতি মাসের ১৫ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে পাঠানো এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী SIR প্রক্রিয়ায় যে নথিগুলি যাচাইয়ের জন্য গ্রহণযোগ্য, তার তালিকায় মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড অন্তর্ভুক্ত নয়। সেই কারণে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে পাঠানো প্রস্তাব খতিয়ে দেখার পর তা গ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে কমিশন মত দিয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত নির্দেশিকা অনুসারেই ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ পরিচালিত হবে এবং এর বাইরে কোনও নথিকে বৈধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া যাবে না।

এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় কোন কোন নথি গ্রহণযোগ্য হবে, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই অবস্থানে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।