- Home
- West Bengal
- West Bengal News
- কেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা বন্ধ? ৭০০০ মহিলার হয়ে রাজ্যের কাছে জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট
কেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা বন্ধ? ৭০০০ মহিলার হয়ে রাজ্যের কাছে জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট
Lakshmir Bhandar case: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা না পেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ ময়নার মহিলারা। তাদের দাবি ৫ মাস ধরে টাকা পাচ্ছেন না ৭ হাজার মহিলা। কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যকে একাধিক নির্দেশ দিয়েছে।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে মামলা
রাজ্যের কয়েক হাজার মহিলা দীর্ঘ দিন ধরেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা পান না। আর সেই কারণে তাঁরা একাধিকবার সরকারি আধিকারিকদের দ্বারস্থ হয়েছেন। কিন্তু তাতে সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি। তাই শেষ পর্যন্ত তারা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে সেই মমালা শুনল কলকাতা হাইকোর্ট। সেখানেই হাইকোর্ট প্রশ্ন করেছে।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পান না
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেরটাকা গত ৫ মাস ধরে পান না পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়নার বাগচা গ্রাম পঞ্চায়ের ৭ হাজার মহিলা। কিন্তু কেন এই মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মত সরকারি প্রকল্পের টাকা পেলেন না তা জানতে চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য সরকারকে এই বিষয়ে নির্দেশও দিয়েছে।
কলকাতা হাইকোর্টে মামলা
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বন্ধ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে দ্বায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা। সেই মামলার শুনানি বৃহস্পতিবার হয় বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে। কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য সরকারকে আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি।
মামলাকারীদের অভিযোগ
মামলাকারীদের অভিযোগ ময়না বিধাসভার অন্তর্গত বাগচা গ্রাম পঞ্চায়েতে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে বন্ধ হয়ে গেছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকায দীর্ঘ ৫ মাস ধরে এই গ্রামেরেই ৭হাজর মহিলা এই সুবিধে থেকে বঞ্চিত। কিন্তু কেন তাঁরা এই সুবিধে পাচ্ছেন না তা নিয়েই দরবার করেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টে।
আইনজীবীর দাবি
মামলাকারীদের আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্যের দাবি জেলা শাসকের মাধ্যমে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠান হলেও শুধুমাত্র বিজেপি পরিচালিত এই গ্রাম পঞ্চায়েতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই সমস্যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেছেন আইনজীবী। রাজ্যের আইনজীবী বলেছেন, সংশ্লিষ্ট এলাকা নিয়ে নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতরে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। আর সেই কারণেই সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

