Ranaghat News: দিনের শুরুতেই হাড়হিম ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো নদীয়া জেলার রানাঘাটের হবিবপুর এলাকায়। নিজের বৌমাকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ শশুড়ের বিরুদ্ধে। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন… 

Ranaghat News: ভোরে জোড়া খুন, বাবার কুড়ুলের কোপে মৃত্যু স্ত্রী ও শাশুড়ির। রানাঘাট থানার হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আশুতোষপুর গ্রামে আজ ভোরে জোড়া খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযোগ, ৭৫ বছর বয়সী অনন্ত বিশ্বাস কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুন করেন নিজের বৌমা ও বৌমার মাকে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে অনন্ত বিশ্বাসের স্ত্রী মারা যান। স্ত্রীর শ্রাদ্ধ ও শান্তির কাজের জন্য তাঁর ছেলে প্রতীত পবন বিশ্বাসের শাশুড়ি বাড়িতে এসেছিলেন। এরপর থেকেই অভিযুক্ত অনন্ত বিশ্বাস সন্দেহ করতে থাকেন যে বৌমা ও তাঁর মা নাকি তুকতাক বা কালোজাদু করে সম্পত্তি দখল করতে চাইছে।

ঠিক কী ঘটেছে? 

এই সন্দেহের বশেই আজ ভোররাতে, যখন ছেলে প্রতীত পবন ফুল বিক্রি করতে বাজারে যান, ঠিক তখনই অনন্ত বিশ্বাস কাঠ কাটার কুড়ুল নিয়ে পাশের ঘরে শুয়ে থাকা বৌমা ও তাঁর মাকে এলোপাতাড়ি কোপান। এলাকাবাসীর দাবি, ভোররাতে চিৎকার চেঁচামেচি শোনা গেলেও পরে আর শব্দ না পেয়ে কেউ গুরুত্ব দেননি।

ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ছেলে বাড়ি ফিরে দেখে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে তার স্ত্রী ও শাশুড়ি। বাবাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি নাকি বলেন, “তোর পথের কাঁটা সরিয়ে দিয়েছি।” ছেলের কান্না শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

খবর পেয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য রানাঘাট থানায় ফোন করেন। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রানাঘাট পুলিশ মর্গে পাঠায়। ঘটনাস্থল থেকে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং ব্যবহৃত কুড়ুল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় শোক ও আতঙ্কের পরিবেশ। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রানাঘাট থানার পুলিশ।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।