Champahati Blast News: বিধানসভা ভোটের আগেই তপ্ত এলাকা। বাজি বিস্ফোরণে মর্মান্তিক ঘটনা। ভোটের আগে চড়ছে পারদ! বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…
Champahati Blast News: চম্পাহাটিতে বাজি কারখানার বিস্ফোরণে মিলল প্রথম মৃত্যুর খবর। মৃতের নাম গৌর হরি গঙ্গোপাধ্যায়। শনিবার রাত প্রায় ১২টা ৩০ নাগাদ মৃত্যু হয়েছে গৌরহরি গঙ্গোপাধ্যায়ের।
সূত্রের খবর, বিস্ফোরণের পর গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাঁকে টালিগঞ্জের এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর শরীরে প্রায় ১০০ শতাংশ বার্ন ইনজুরি ছিল। শুক্রবার রাত থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। চিকিৎসকদের সবরকম চেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হল না। শনিবার গভীর রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
চম্পাহাটিতে বাজি বিস্ফোরণে মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য:-
এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকাজুড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আবাসিক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই বেআইনি ভাবে বাজি কারখানা চলছিল। একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি বাসিন্দাদের। বিস্ফোরণের তীব্রতায় মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে।
এদিকে, একই ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে এখনও ভর্তি রয়েছেন কিষান অধিকারী। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর শরীরে প্রায় ৩০ শতাংশ বার্ন ইনজুরি রয়েছে। আপাতত চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন তিনি।
আরও জানা গিয়েছে, বিশ্বজিৎ মণ্ডল ও রাহুল পুই—এই দু’জনকে পঞ্চসায়র সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রাহুল পুইয়ের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর শরীরে প্রায় ৯৫ শতাংশ বার্ন ইনজুরি রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কীভাবে এই বিস্ফোরণ ঘটল এবং কারখানাটি আদৌ বৈধ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, দেগঙ্গায় প্রকাশ্য দিবালোকে রাস্তার উপরে টোটো গাড়ি থেকে টেনে হেঁচড়ে তরুণীকে এলোপাথাড়ি মারধরের অভিযোগ। বুট দিয়ে লাথি, গলায় ওড়না পেঁচিয়ে প্রাণে মারার চেষ্টার অভিযোগ ননদ ও ননদাইয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
ঘটনাস্থল দেগঙ্গা থানার কার্তিকপুর এলাকা। আক্রান্ত তরুণীর নাম সাবিনা খাতুন, বয়স ২৭ বছর। সাবিনার অভিযোগ, তার স্বামী বছর দুই আগে এক মহিলার সঙ্গে অন্যত্র গিয়ে বসবাস করেন। তাকে এবং তার পাঁচ বছরের শিশুর কোনও খরচ স্বামী কিংবা শ্বশুর বাড়ির কেউ দেন না। তিনি নিজে উপার্জন করে ছেলের পড়াশোনা এবং তার দুজনের জীবন যাপন করেন। স্বামী চলে যাওয়ার পর থেকে শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার উপর অত্যাচার করে মারধর করে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


