WB Assembly Election 2026: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ঘর আরও শক্ত হচ্ছে কংগ্রেস শিবিরের? কী বলছে হাত শিবির? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Maldah News: আসন্ন বিানসভা নির্বাচনে কৌতয়ালি ভবনের আরও এক সদস্য সক্রিয় রাজনৈতিক ময়দানে নামতে চলেছে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের অন্দরে আলোচনা শুরু হয়েছে। মৌসমের পর এবার তাঁর দিদি লিজু ওরফে সৈয়দা সালেহা নুরকে নিয়ে এমন জল্পনা শুরু হয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে। 

বিধানসভা ভোটের আগে শক্তি বাড়ছে কংগ্রেসে?

কংগ্রেস শিবিরের খবর, এই ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে জেলার সুজাপুর আসনে লিজুকে প্রার্থী হিসাবে পেতে চাইছে কোতোয়ালি। সেক্ষেত্রে মালদহ উত্তরের রতুয়া অথবা মালতিপুর আসনে দাঁড়াতে পারেন মৌসম নুর। এই প্রশ্নেই এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পথে মালদার কোতোয়ালির গনি পরিবার। কিন্তু সমস্যা রয়েছে লিজুর নাগরিকত্ব নিয়ে। তবে তড়িঘড়ি করে তাঁর নাগরিকত্ব বিষয়ক ফাইলপত্র তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে বলে দাবি জেলা কংগ্রেস শিবিরের।

প্রয়াত বরকত গনি খান চৌধুরির কোতোয়ালির বাড়ি থেকে পরিবারের সদস্যরা একের পর এক রাজনীতির ময়দানে নেমেছেন। গনির জীবদ্দশায় তাঁর বোন রুবি নুর সুজাপুর কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। রুবির প্রয়াণের পর মেয়ে মৌসম, তারপর গনির সুইজারল্যান্ড ফেরত দাদা আবু নাসের খান ওরফে লেবু, ডালু পুত্র ইশা খান, আরও এক ভাগনি শেহনাজ কাদরি, প্রত্যেকেই রাজনীতিতে নেমে পড়েছেন।

এবার গনির বিদেশ ফেরত ভাগনি লিজুও রাজনীতির অঙ্গনে নেমে পড়তে চলেছেন বলে কোতোয়ালির অন্দর মহলের খবর। কংগ্রেসের একটি সূত্রের দাবি, মৌসম নুর কংগ্রেসে ফিরতেই লিজু ওরফে সৈয়দা সালেহা নুরের ভারতের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত সমস্যা মেটাতে তড়িঘড়ি উদ্যোগ নিয়েছে কোতোয়ালি। 

কেননা, মালদা দক্ষিণের কংগ্রেস সাংসদ ইশা খান চৌধুরির সহধর্মিনী লিজু এখনও বিদেশের নাগরিক। ছিলেন কানাডায়। প্রাক্তন সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরির (ডালু) ছেলে ইশা খানের সঙ্গে বিয়ের পর থেকেই লিজু কোতোয়ালিতে রয়েছেন। কিন্তু এতদিন পরেও ভারতের নাগরিকত্ব নেননি। এবার লক্ষ্য, নাগরিকত্ব নিয়ে ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত করা। মৌসমের 'ঘর ওপসি'র সময় লিজুও দিল্লিতে ছিলেন। সেখানে নাগরিকত্বের আবেদন সংক্রান্ত বকেয়া কাজকর্ম সম্পন্ন করেন তিনি বলে খবর।

তাঁর সহধর্মিনী লিজু কি এবার বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতীকে প্রার্থী হতে চলেছেন? জেলা কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ ইশা খান চৌধুরি বলেন, "লিজুর নাগরিকত্বের আবেদন সংক্রান্ত ফাইলপত্র তৈরির কাজ সেরে ফেলা হয়েছে। এখন লিজুর সিদ্ধান্তের উপর বিষয়টি নির্ভর করছে। লিজু চাইলেই রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন। এতে আমার কোনও আপত্তি নেই।" লিজু ওরফে সৈয়দা সালেহা নুরকে বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে শুধু বলেন অপেক্ষা করুন। সময় বলবে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।