SIR-এ সবথেকে বেশি নাম বাদ পড়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে। এই জেলায় নাম বাদের সংখ্যা হল ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৪৭। দ্বিতীয় স্থানেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা।  এখনও বাকি রয়েছে শুনানি।  

বৃহস্পতিবার রাজ্যে শেষ হয়েছে এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। এরপরই রাজ্যের আন-কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্য়া প্রকাশ্যে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় দেখা যাচ্ছে গোটা রাজ্যে আন-কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা ৫৮ লক্ষ ১৭ হাজার ৮৫১টি। যার অর্থ এই বিপুল পরিমাণ নাম বাদ পড়তে চলেছে ভোটার তালিকা থেকে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জেলাওয়াড়ি সেই হিসেব পাওয়া গেছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

SIR-এ সবথেকে বেশি নাম বাদ পড়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে। এই জেলায় নাম বাদের সংখ্যা হল ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৪৭। দ্বিতীয় স্থানেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় আন-কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা ৭ লক্ষ ৯২ হাজার ৬৪। সবথেকে কম নাম বাদ গিয়েছে কালিম্পং জেলায়। মাত্র ১৭ হাজার ৩২১টি।

আগামী ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকা সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ ও দাবি কমিশনে জানানো যাবে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে। সেসব অভিযোগ খতিয়ে গেখে ও পদক্ষেপ করা হবে। সমস্ত বিতর্ক নিষ্পত্তি করতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে ডেকে পাঠান হবে হিয়ারিং-এর জন্য। সংশ্লিষ্ট ভোটারের সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। ১৬ ডিসেম্বর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এজাতীয় কাজ চলবে। ৭ ফেব্রুয়ারির পরই প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।

ভোটার তালিকায় আপনার নাম রয়েছে কিনা তা অনলাইন আর অফলাইনে চেক করা যাবে।

অনলাইনে চেক করার পদ্ধতিঃ

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট eci.gov.in, সিইও ওয়েস্ট বেঙ্গলের ওয়েবসাইট ceowestbengal.wb.gov.in ইসিআই নেট অ্যাপে গিয়ে নিজের নাম ও এপিক নম্বরর দিয়ে পরীক্ষা করতে পারবেন আপনার নাম রয়েছে কিনা। সেখানে নাম থাকার অর্থই হল খসড়া তালিকায় নাম থাকা। অফলাইনেও জানা যাবে

অফলাইনে চেক করার পদ্ধতিঃ

খসড়া ভোটার তালিকায় আপনার নাম রয়েছে কিনা তা অফলাইন পদ্ধতিতেও জানা যাবে। রাজ্যের সব বিএলওকে খসড়া তালিকার হার্ড কপি দেওয়া হবে। ভোটাররা নিজের নিজের বুথে গিয়ে বিএলও-র কাছে খসড়া ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কিনা তা যাচাই করতে পারবেন। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের দিনেই বিএলওদের বুথে গিয়ে খসড়া ভোটার তালিকা নিয়ে বসতে হবে। রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদেরও একটি কপি দেবে নির্বাচন কমিশন। সেখান থেকেই দেখে নেওয়া যাবে ভোটারার নাম তালিকায় রয়েছে কিনা।