Dhupguri News: বিজেপি নির্দেশে কাজ করছে কমিশন? জাতীয় নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের দায়িত্ববোধ নিয়ে এবার প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Dhupguri News: একটানা পাঁচবারের পঞ্চায়েত সদস্য। এবং বর্তমানে বারঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আবু তাহেরের নামে এসআইআর (SIR) শুনানির নোটিশ আসায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হঠাৎ এই শুনানির ডাক পেয়ে হতাশ ও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ৬২ বছর বয়সি আবু তাহের।

আবু তাহেরের দাবি, তাঁর সমস্ত নথিপত্রে নাম ও পরিচয় সম্পূর্ণ নির্ভুল থাকা সত্ত্বেও তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। এই ঘটনায় শুধু তিনি নন, আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষও।

কী অভিযোগ করেছেন ওই পঞ্চায়েত সদস্য?

স্থানীয়দের মতে, আবু তাহের দীর্ঘদিন ধরেই একজন প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত। গ্রামের মানুষ তাঁর উপর আস্থা ও ভরসা রাখেন। বারঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভেমটিয়া গ্রামে। তাঁদের বসবাস স্বাধীনতার আগেরও বহু আগে থেকে। এলাকাবাসীদের দাবি, ব্রিটিশ আমলে তাঁদের পরিবার জমিদার ছিলেন এবং নথি-সহ জমির একাধিক খতিয়ান এখনও তাঁদের কাছে রয়েছে।

এই অবস্থায় এসআইআর প্রক্রিয়ার আওতায় সাধারণ মানুষকে শুনানিতে ডাকা হওয়ায় আতঙ্ক ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ।আবু তাহের বলেন, “ইলেকশন কমিশন এতদিনে ভারতে একজন রোহিঙ্গাকেও খুঁজে পায়নি, অথচ এখন আমাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে।” এই মন্তব্য করে তিনি সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।

তাঁর অভিযোগ, অযথা সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও আতঙ্কিত করা হচ্ছে। তিন মাসের মধ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা কার্যত অসম্ভব বলেও তিনি দাবি করেন। তাঁর মতে, এটি নির্বাচন কমিশনের চরম ব্যর্থতা এবং কমিশন বিজেপির নির্দেশে কাজ করছে। পাশাপাশি আবু তাহের আরও অভিযোগ করেন, “এই এসআইআর প্রক্রিয়ায় শুধুমাত্র মুসলিমদেরই টার্গেট করা হচ্ছে।”

অন্যদিকে, ধূপগুড়ির বর্তমান বিধায়ক ড. নির্মল চন্দ্র রায় বলেন, “ইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জ্ঞানহীনতায় ভুগছেন। প্রতিদিন একের পর এক নিয়ম পরিবর্তন করা হচ্ছে। সমস্ত নথি নির্ভুল থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।”

এদিকে, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নয়, স্পষ্ট জানাল নির্বাচন কমিশন।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) ২০২৬-এ মাধ্যমিক (ক্লাস X) পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডকে বৈধ নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে না—এই মর্মে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানাল নির্বাচন কমিশন অব ইন্ডিয়া (ECI)। বুধবার, ১৫ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে পাঠানো এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। 

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।