- Home
- West Bengal
- Kolkata
- এসআইআর-ভোটার শুনানিতে গ্রহণযোগ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট, স্পষ্ট বার্তা নির্বাচন কমিশনের
এসআইআর-ভোটার শুনানিতে গ্রহণযোগ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট, স্পষ্ট বার্তা নির্বাচন কমিশনের
Election Commission On MP Admit Card: এসআইআর-ভোটার শুনানিতে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড প্রামাণ্যনথি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। ভোটার তালিকা নিবিড় সমীক্ষা কাজের শেষপর্বে বিশেষ ঘোষণা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। বিস্তারিত জানতে আরও দেখুন…

গ্রহণযোগ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড
মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নয়, স্পষ্ট জানাল নির্বাচন কমিশন।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) ২০২৬-এ মাধ্যমিক (ক্লাস X) পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডকে বৈধ নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে না—এই মর্মে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানাল নির্বাচন কমিশন অব ইন্ডিয়া (ECI)। বুধবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে পাঠানো এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড প্রামাণ্য নথি নয়
নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী SIR প্রক্রিয়ায় যে নথিগুলি যাচাইয়ের জন্য গ্রহণযোগ্য, তার তালিকায় মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড অন্তর্ভুক্ত নয়। সেই কারণে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে পাঠানো প্রস্তাব খতিয়ে দেখার পর তা গ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে কমিশন মত দিয়েছে।
কী বলা হয়েছে চিঠিতে?
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত নির্দেশিকা অনুসারেই ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ পরিচালিত হবে এবং এর বাইরে কোনও নথিকে বৈধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া যাবে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় কোন কোন নথি গ্রহণযোগ্য হবে, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই অবস্থানে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
কমিশনের চাপে বিএলও-রা
এসআইআর-এ লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি হেয়ারিং ইসু দেখিয়ে নোটিশ চলাকালীন BLO-দের গণ ইস্তফা। BLO-দের গণস্বাক্ষর চলছে BDO অফিসের। BLO-দের প্রতি ইলেকশন কমিশনের আস্থাহীনতা, ইলেকশন কমিশনের নীতিগত অস্পষ্টতা, কাজের নামে BLO দের হয়রানি এর প্রতিবাদে এই গণইস্তফার প্রস্তুতি। স্বরূপনগরের ঘটনা। জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের প্রায় ৪২টি বুথের ৪২ জন BLO ইস্তফা দিতে হাজির হয়েছেন স্বরূপনগর ব্লক অফিসে ।
কমিশনের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ?
জানা গিয়েছে, তারা তাদের ইস্তফা দাবিতে স্বাক্ষর গ্রহণ শেষে ৫০ জন বিএলও লিখিতভাবে ইস্তফা পত্র জমা দেন স্বরুপনগর ব্লক প্রশাসনের দফতরে। তাদের দাবি, নির্বাচন কমিশন বারংবার নিয়ম বদলাচ্ছে। যা সাধারণ মানুষের কাছে তাদেরকে জবাবদিহি করতে হচ্ছে।

