দু' বছর আগে পথের কাঁটাকে সরিয়ে দেওয়ার পর পালিয়ে বেডড়াচ্ছিল তারা। এক হোটেল থেকে অন্য হোটেলে গিয়ে পুলিশের চোখে ধুলো দিচ্ছিল এক গৃহবধূ এবং তার প্রেমিক। শেষ পর্যন্ত গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তারাপীঠের একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ওই গৃহবধূর বিরুদ্ধে প্রেমিকের সাহায্য নিয়ে দু' বছর আগে নিজের স্বামীকে হত্যার অভিযোগ ওঠে। 

পুলিশ সূত্রে খবর, ২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর কোন্ননগরের অলিম্পিক মাঠ এলাকায় প্রীতম চট্টোপাধ্যায় নামে এক যুবক নিজের বাড়ির মধ্যেই খুন হন। ঘটনার পর থেকেই পালিয়ে বেড়াচ্ছিল প্রীতমের স্ত্রী টুম্পা এবং তার প্রেমিক। ওই দু'জনই বালিশ চাপা দিয়ে প্রীতমকে হত্যা করেছিল বলে অভিযোগ। 

ঘটনার তদন্তে নেমে কিছুতেই অভিযুক্ত টুম্পা এবং চিন্ময়ের নাগাল পাচ্ছিল না উত্তরপাড়া থানার পুলিশ। বার বার জায়গা বদল করে বিভিন্ন হোটেলে আশ্রয় নিচ্ছিল তারা। অবশেষে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে তারাপীঠের একটি বিলাসবহুল হোটেল থেকে এই দুই প্রেমিক প্রেমিকাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় টুম্পা স্বামীকে হত্যার কথা স্বীকার না করলেও তার প্রেমিক চিন্ময় অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছে। ধৃতদের এ দিনই শ্রীরামপুর আদালতে তোলা হলে ধৃতদের পাঁচদিনের জন্য পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। মৃত প্রীতম চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের আশা, এবার দ্রুত গতিতে এগোবে তদন্ত।