দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার উস্থির ঘটনা প্রতিবেশীকে খুনের অভিযোগ গৃহবধূর বিরুদ্ধে নিহতের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ  

প্রতিবেশী এক ব্যক্তিকে খুন করে মাটির নীচে পুতে রাখল এক গৃহবধূ। তার পরে থানায় গিয়ে নিজেই আত্মসমর্পণ করল সে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার উস্থিতে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত গৃহবধূ দাবি করেছে, শুক্রবার রাতে বাড়িতে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে প্রতিবেশী তপন সাউ (৪৭)। তাঁর ছ' বছরের মেয়েকেও হত্যার চেষ্টা করে সে। মেয়েকে বাঁচাতে গিয়েই তপন সাউকে সে খুন করেছে বলে দাবি ওই মহিলার। 

আরও পড়ুন- মনুয়া- অজিতের ফাঁসি চাই, ক্ষুব্ধ অনুপমের পরিবার যাচ্ছে উচ্চ আদালতে, দেখুন ভিডিও

উস্থির সরাচি গ্রামের বাসিন্দা ওই গৃহবধূ শনিবার সন্ধ্যায় নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে। পুলিশকে ওই গৃহবধূ জানায়, প্রতিবেশী এক ব্যক্তিকে খুন করে বাড়ির পিছনের বাগানে পুঁতে দিয়েছে সে। গৃহবধূর এই দাবির পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। গৃহবধূর দাবি মতো বাড়ির পিছনে মাটির নীচ থেকে মেলে তপন সাউয়ের দেহ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ। 

কিন্তু কেন হঠাৎ প্রতিবেশীকে খুন করতে গেল ওই গৃহবধূ? জেরায় সে দাবি করেছে, দু' দিন আগে সন্ধ্যাবেলা তপন সাউ বাড়িতে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। তখন তা দেখে ফেলে চিৎকার করে ওঠে। অভিযোগ, তখন তপন শ্বাসরোধ করে ওই শিশুকন্যাকে হত্যার চেষ্টা করে। মেয়েকে বাঁচাতেই ঘরে রাখা একটি লোহার রড দিয়ে তপনের মাথায় সে আঘাত করে বলে দাবি ওই গৃহবধূর। সেই আঘাতের জেরেই তপনের মৃত্যু হয় বলে দাবি তার। 

পুলিশের অবশ্য অনুমান, হত্যাকাণ্ডে গৃহবধূকে সাহায্য করেছিল তার স্বামী। কারণ খুন করে একার পক্ষে মৃতদেহ মাটির নীচে পুঁতে দেওয়া ওই গৃহবধূর পক্ষে সম্ভব নয় বলেই ধারণা তদন্তকারীদের। সেই কারণেই গৃহবধূর স্বামীকে ডেকেও জেরা করে পুলিশ। যদিও এখনও তাকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে পুলিশ জানতে পেরেছে, দুই পরিবারের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই অশান্তি চলছিল। নিহতের বিরুদ্ধে ওঠা ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ মিথ্যে বলে দাবি করেছে তপনের পরিবার।