খুন করা হয়েছে পোষা মুরগিদের অভিযোগ জানাতে সটান থানায় হাজির এক মহিলা প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে এফআইআর করেছেন তিনি শোরগোল জলপাইগুড়িতে

এক-দুটো নয়, কীটনাশক খেয়ে মরেছে ১০টি পোষা মুরগি। প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করতে সটান থানায় হাজির এক মহিলা! অভিযোগ শুনে ভিরমি খাওয়ার জোগাড় পুলিশ আধিকারিকদের। শেষপর্যন্ত অবশ্য অভিযোগ নিয়েছেন তাঁরা। আশ্বাস দিয়েছেন ময়নাতদন্তেরও।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: স্কুটি-এর মোহ কাড়ল প্রাণ, দুর্ঘটনায় মৃত্যু নবম শ্রেণির ছাত্রীর

ঘটনাটি ঠিক কী? জলপাইগুড়ির ধাপগঞ্জ এলাকায় থাকেন মনসুরা বেগম। বেশ কয়েকটি মুরগি পুষেছিলেন তিনি। সেই মুরগিগুলিকেই নাকি কীটনাশক খাইয়ে মেরে ফেলেছেন মনসুরার প্রতিবেশী ইমাজ্জিন আলি! অভিযোগ তেমনই। কারণ, তাঁর লঙ্কার খেতে মাঝেমধ্যেই ঢুকে পড়ত মুরগিগুলি। মনসুরা বেগমের দাবি, গত ২৩ ডিসেম্বর নিজের লঙ্কা ক্ষেতে বিষ মেশানো মুড়ি ও ভাত ছড়িয়ে রাখেন ইমাজ্জিন। সেই খাবার খায় ১০টি মুরগি। খাওয়ার পর আটটি মুরগি মারা যায় বলে অভিযোগ। বস্তুত, এই ঘটনার পর যখন ইমাজ্জিনের বাড়িতে যান মনসুরা, তখন তাঁদের মধ্যে রীতিমতো বচসাও হয় বলে জানা গিয়েছে। বচসা চলাকালীন ওই মহিলার শ্লীলতাহানিও করা হয় অভিযোগ।

আরও পড়ুন: সম্প্রীতির এক অনন্য নিদর্শন, হিন্দু মায়ের শবদেহ কাঁধে তুলে নিলেন আজিজুর-লালনরা

বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্যাগ ভর্তি মৃত মুরগি নিয়ে প্রথমে জলপাইগুড়ি আদালতে যান মুনসুরা বেগম। সেখান থেকে সোজা কোতুয়ালি থানায়। পুলিশের দাবি, প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে মুরগিদের খুন করার অভিযোগ করেছেন ওই মহিলা। দেহের ময়নাতদন্তের দাবি তুলেছেন! অভিযোগ শুনে হতবাক হয়ে যান থানায় কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিকরা। কিন্তু অভিযোগ না নিয়েই উপায় ছিল না। আইন অনুযায়ী, কোনও পশু বা প্রাণীকে হত্যা করা দণ্ডনীয় অপরাধ। হতে পারে জারিমানাও। তবে বহুক্ষেত্রে অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেন পুলিশ আধিকারিকরা। তবে এক্ষেত্রে শুধু অভিযোগ নেওয়াই নয়, মৃত মুরগিগুলি ময়নাতদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন জলপাইগুড়ি কোতুয়ালি থানার পুলিশ আধিকারিক।