হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আগে থেকেই ছিল। হায়দরাবাদে তরুণী পশু চিকিৎসককে  গণধর্ষণ এবং খুনের পরে সেই গ্রুপেই প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়াতেই ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধকে সীমাবদ্ধ না রেখে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদের সিদ্ধান্ত নেন গ্রুপের সদস্যরা। নদিয়া, মুর্শিদাবাদের মতো বেশ কয়েকটি জেলার বাসিন্দা মহিলারা শনিবার দুর্গার মুখোশ পরে ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামলেন নদিয়ার কৃষ্ণনগরে। 

মিছিলের উদ্যোক্তারা জানান. হোয়াটসঅ্যাপের একটি গ্রুপে তাঁরা বহুদিনই সদস্য হিসেবে রয়েছেন। বিভিন্ন জেলার অধ্যাপক, শিক্ষক- শিক্ষিকারা মূলত এই গ্রুপের সদস্য। হায়দরাবাদের ঘটনার পরই একত্রিত হয়ে মহিলাদের উপরে বাড়তে থাকা নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদ জানানোর সিদ্ধান্ত নেন ওই গ্রুপের সদস্যরা। 

ধর্ষকদের অসুর হিসেবে তুলে ধরতেই এ দিন দুর্গার মুখোশ পরে পথে নামেন মহিলারা। তাঁদের সঙ্গে অবশ্য বেশ কিছু পুরুষও মিছিলে অংশ নেন। মিছিলের বার্তাই ছিল অসুররূপী ধর্ষকদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর, তাদের শাস্তি দেওয়ার। 

কৃষ্ণনগরের গভর্মেন্ট কলেজের মাঠ থেকে মিছিল শুরু হয়ে তা শহরের বিভিন্ন রাস্তায় পরিক্রমা করে। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্য, হায়দরাবাদে পশু চিকিৎসকের উপরে নৃশংস নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্তদের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে ঠিকই, কিন্তু ধর্ষকদের দ্রুত কঠোর শাস্তি দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন প্রয়োজন। বিচারব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর দাবি ওঠে মিছিল থেকে।