সম্পর্কে তারা খুড়তুতো ভাইবোন। শরদ পওয়ারের মেয়ে সুপ্রিয়া সুলে এবং শরদের দাদা অনন্তরাও পওয়ারের ছেলে অজিত পওয়ার। এদিন অজিত দলের একাংশকে অন্ধকারে রেখে এনসিপি বিধায়কদের সমর্থনপত্র বিজেপি-র হাতে তুলে দিয়ে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তার বেশ কিছুক্ষণ পর বোন সুপ্রিয়া সুলে হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে অজিতের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের কথা জানালেন।
আরও পড়ুন - সরকার তো হল, টিকবে তো, নাকি তড়িঘড়িতে ভুল করে বসল বিজেপি
এদিন হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে সুপ্রিয়া সুলে লেখেন 'পার্টি অ্যান্ড ফ্যামিলি স্প্লিট (পার্টি এবং পরিবার বিভক্ত)। পরে আবার লেখেন, 'কাকে আপনি বিশ্বাস করবেন? জীবনে আমি কখনও এতটা প্রতারিত বোধ করিনি। ওকে আমি বাঁচিয়েছিলাম, ওকে ভালবাসতাম, বিনিময়ে কী পেলাম দেখুন।'
তার আগে অজিতের কাকা শরদ পওয়ারও মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনে বিজেপিকে সমর্থন করা অজিত পাওয়ারের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত বলে দাবি করেছিলেন। টুইট করে খোলাখুলি জানিয়ে দেন টুইট করে শরদ বলেছেন, 'এটা অজিতের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্ত দল মেনে নেবে না'।
আরও পড়ুন - মহারাষ্ট্রে সার্জিকাল স্ট্রাইক, নেপথ্য থেকেই খেলা ঘোরালেন অমিত 'চানক্য' শাহ
কিন্তু সেখানে সুপ্রিয়া সুলের পারিবারিক ছোঁয়া ছিল না। সুপ্রিয়া একবারও দাদা অজিতের নাম অবধি নেননি। এর থেকেই তার অভিমানটা পরিষ্কার। রাজনীতির কচকচির মধ্যে বোনের এই পারিবারিক অনুভূতির প্রকাশ আলাদা করে সাড়া ফেলেছে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে শরদ পওয়ারের টুইটে যে শুধু দলীয় নয়, পারিবারিক ভাঙনের ইঙ্গিত ছিল, তাতেই সিলমোহর পডড়েছে সুপ্রিয়া সুলের বক্তব্যে।
আরও পড়ুন - বিধায়কদের সমর্থনপত্রের চূড়ান্ত অপব্যবহার, কোন কৌশলে দাঁও মাড়লেন অজিত পওয়ার
শনিবার সকালে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। সেই সঙ্গে উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন অজিত পওয়ার। অথচ একদিন আগেই এনসিপি-কংগ্রেস-শিবসেনা জোট সরকার গঠনের বিষয় প্রায় পাকা করে ফেলেছিল। অজিত পওয়ার তাঁর সঙ্গে থাকা এনসিপি বিধায়কদের সমর্থনপত্রের অপব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ উঠছে।
আরও পড়ুন - 'অ্যান্টি ডিফেকশন ল' কী, পওয়ার-হুমকি ফাঁকা আওয়াজ না সত্যিই খাদের মুখে 'দাদাপন্থী'রা