ব্লগার অভিজিৎ রায় খুনে সাজা  কড়া নিরাপত্তায় সাজা ঘোষণা  মত প্রকাশে বাধা দেওয়ায় সাজা  ২০১৫ সালে খুন করা হয়ে ব্লগারকে 

বাংলাদেশের ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ড মামালায় পাঁচ জনকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনাল আদালত। সাজাপ্রাপ্তরা হল মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক, জঙ্গিনেতা আকরাম হোসেন, আবু সিদ্দিকি ওরফে সাকিব, মোজাম্মেল হোসেন ও আরাফত রহমান। অভিযুক্ত শাফিউর রহমান ফারাবিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ আদালত ব্লগার অভিজিৎ রায় খুনের সাজা ঘোষণা করে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এদিন সকাল থেকে আদালত চত্ত্বর জুড়ে ছিল কড়া নিরাপত্তা। নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সকাল ১০টা নাদার আদালতে নিয়ে আসা হয় অভিযুক্তদের। বিচারপতি মুজিবুর রহমান দোষী সাব্যস্ত পাঁচ জনকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শুনিয়েছেন। রায়ে বলা হয়েছে আসামিরা সাংগঠনিকভাবে অভিন্ন অভিপ্রায় স্বাধীনভাবে মত প্রকাশে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে অভিজিৎ রায়কে হত্যা করেছে। সে কারণে তাদের সর্বোচ্চ শান্তিই প্রাপ্য। ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল ব্লগার অভিজিৎকে। হামলা চালান হয় তাঁর স্ত্রী রফিদা আহমেদের ওপরেও। অভিজিতের বাবা শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

কৃষক আন্দোলনের টুইট নিয়ে আবারও উত্তপ্ত রাজনীতি, ব্রিটিশ সাংসদকে খোলা চিঠি হাইকমিশনের ...

আগামী সোমবার প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গসফর, তাতেই আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু সাহেবদের প্রিয় মাঠ ...

পদার্থবিদ অধ্যাপক অজয় রায়ের ছেলে অভিজিৎ থাকতেন যুক্তরাষ্ট্রে। বিজ্ঞানের নানা বিষের লেখালিখির পাশাপাশি মুক্তমনা একটি ব্লগ সাইটও পরিচালনা করতেন। জঙ্গি ও কট্টরবাদীদের হুমকির মুখেও তিনি বইমেলায় অংশ নিতে দেশে এসেছিলেন। আর সেই সময়ই তাঁকে হত্যা করা হয়। এই মামলায় সাজাপ্রাপ্তদের থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে মোট ৬ জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে এদিন। পাঁচ জন হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকায় তাঁকা মৃত্যু দণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি ব্লগার শফিউর রহমান ফারাবিকে অভিজির রায় হত্যাকাণ্ডে সোশ্যাস মিডিয়ায় প্ররোচিত করার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় অভিযুক্ত জিয়া আর আকরাম এখনও পলাতক।