বাংলা চলচ্চিত্র জগতের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শ্রীমতী পাইন মারাত্মক অর্থকষ্টের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। শ্রীমতীর নাতনি আহেলি দাসের ফেসবুক পোস্ট থেকে বিষয় সকলের নজর কাড়ে। পঞ্চাশ বছরেরও বেশি এই চলচ্চিত্র জগতে অভিনয় করে এসেছিলেন শ্রীমতী। পরবর্তীকালে তিনি ছোটপর্দায় বেশ কিছু ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন তিনি। টাপুর টুপুর, খোকা বাবু, ধারাবাহিকে তাঁরে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের ছাত্রী ছিলেন তিনি। আকাশবাণীতে বহু শ্রুতিনাটকেও অংশগ্রহণ করেন শ্রীমতী। 

আরও পড়ুনঃফ্রেশ ফেস থেকে হিন্দি টেলিভিশনে জনপ্রিয়তা ত্রিধার, বঙ্গতনয়া ত্রিধার টলিউড থেকে মুম্বই পাড়ি

আহেলি ফেসবুকে লেখেন, "সুগার ৪৩০। লাংসের অবস্থা প্রতি মুহূর্তে ডিটোরিয়েট করছে। ডাক্তার বলেছেন ইনসুলিন দিয়ে সুগার না কমলে একমাত্র উপায় নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া। সেই সামর্থ‍্য আমাদের নেই। দ্বিতীয় রাউন্ডের ওষুধ কেনা আর ইনসুলিন কেনার সামর্থ্যও আমাদের নেই। এই মুহূর্তে আমার চাকরি নেই। আমি নিরুপায়। মাত্র আট মাস আগে বাবাকে হাড়িয়েছি। ক্ষতটা এখনও শুকায়নি। আর আজ, প্রত‍্যেকটা সেকেন্ডে নিজের সবচেয়ে প্রিয় মানুষটাকে এভাবে তিলতিল করে মৃত‍্যুর দিকে এগিয়ে যেতে দেখতে পারছিনা।

আরও পড়ুনঃক্যাটরিনার কারণে ভিকি-হারলিনের ব্রেক আপ, নেপথ্যে করণ জোহারের 'কফি উইথ করণ'

তিনি আরও লেখেন, "হাতদুটো ধরে যখন কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারেনা, শুধু দু'চোখ দিয়ে জল পড়তে থাকে, বিশ্বাস করুন, খুব কষ্টকর। তাই আপনাদের দ্বারস্থ হওয়া। লকডাউনে জমানো টাকা একে একে শেষ। তাই করজোরে অনুরোধ, দয়া করে এগিয়ে আসু। আমি জানি আমার ফ্রেন্ডলিস্টে বহু, বহু শিল্পী রয়েছেন যারা নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে শিল্পের দরজায় রোজ বসে থাকেন। বোঝেন এগুলো শুধু অভিনয়, মঞ্চ বা স্র্রেফ শিল্প নয়। এগুলো জীবনের সুতো যা এক শিল্পীকে আরও এক শিল্পীর সাথে জুড়ে রাখে।"   

আরও পড়ুনঃসাবধান, করোনা আতঙ্কের মধ্যে এই কাজ করলেই হতে পারে জেল

আরও পড়ুনঃকী করে করোনার হাত থেকে রক্ষা করবেন আপনার বাড়ির বয়স্ক সদস্যদের, রইল তারই টিপস

আরও পড়ুনঃশরীরে কীভাবে থাবা বসায় করোনা, জানালেন বিশেষজ্ঞরা