চলতি বছর পড়তে না পড়তেই করোনা করাল থাবা পড়েছে গোটা বিশ্ব সহ চলচ্চিত্র জগতে। করোনা রুখতে দীর্ঘ ২১ দিনের লকডাউন করেছে সরকার। আর এই লকডাউনে সকলেই গৃহবন্দি। গোটা বিশ্বকে কাবু করেছে করোনা ভাইরাস।  সেলব্রিটি থেকে সাধারণ মানুষ  সকলেই কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। সবচাইতে গুরুতর অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন টেকনিশিয়ানরা। যাদের দৈনিক রোজগার বন্ধের পথে। আর সেই সমস্ত টেকনিশিয়ান যাদের ছাড়া টলিপাড়া অচল তাদের পাশে  এগিয়ে এলেন টলিপাড়ার একঝাক তারকার। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে সামিল হয়েছেন সকলেই। আর তার এই  ভাবনা, মহান উদ্যোগকে কুর্নিশ জানিয়ে টেকনিশিয়ানদের পাশে দাঁড়ানোর এই থিমকেই শর্ট ফিল্মের মধ্যে ফুটিয়ে তুলতে চলেছেন পরিচালক অরিন্দম শীল।

আরও পড়ুন-ক্যানসারই বদলে দিয়েছে জীবন, মারণ ভাইরাস রুখতে নয়া দাওয়াই সোনালির...

স্বল্প দৈর্ঘ্যের এই ছবি থেকে কমপক্ষে ৫০ লক্ষ টাকার তহবিল গড়ে তোলার প্রচেষ্টা রয়েছে। সূত্র থেকে জানা গেছে, পরিচালক অরিন্দম শীল জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর এই ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে তিনি এই তথ্যচিত্র বানাচ্ছেন। তবে তিনি একা নন পদ্মনাভ দাশগুপ্তও রয়েছেন। কী কী থাকবে এই শর্ট ফিল্মে। জানা গেছে, করোনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর লেখা 'ঝড় থেমে যাবে একদিন' গানটিও থাকবে। এমনকী ছবির নামও থাকতে পারে তার সঙ্গে মিল রেখে।  

আরও পড়ুন-লকডাউনে একঘেয়েমি, মুক্তির উপায় বাতলালেন সইফ কন্যা সারা...

ছবিতে অভিনয় করবেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়,আবির চট্টোপাধ্যায়, কোয়েল মল্লিক, মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহান, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, শুভশ্রী সহ আরও অনেকেই। এছাড়াও ছবিতে বিশেষ ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে বর্ষীয়ান অভিনেতা পরান বন্দ্যোপাধ্যায় । ছবির প্রযোজনার দায়িত্বে থাকছে  ক্যামেলিয়া ফিলমস। এবং গোটা ছবির দায়িত্বভার নিচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও। ছবির মিউজিকে থাকছেন বিক্রম ঘোষ। কীভাবে এক অসহায় মেয়ে  নিজের বাবাকে কলকাতার মানুষের সহযোগীতায় সুস্থ করে তোলে তা-ই দেখানো হবে তথ্যচিত্রে। অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই ছবিটি শেষ করার আশ্বাস দিয়েছেন পরিচালক। ছবির পুরো শ্যুটিং হবে নিজেদের বাড়িতে বসেই। ইতিমধ্যেই প্রি-প্রোডাকশনের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আগামীকাল শ্যুটিং শেষ করারও পরিকল্পনা রয়েছে অরিন্দমের।  পরিচালক আরও জানিয়েছেন, 'এই শর্ট ফিল্মটি নিয়ে বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থার থেকেও সাড়া পাচ্ছি। যেমন সন্দীপ ভূতরিয়া ৩ লক্ষ টাকা দিতে চেয়েছেন।  সঞ্জীব গোয়েঙ্কার কাছ থেকেও সাড়া পেয়েছি।  ক্যামেলিয়া সংস্থার প্রধান এন আর দত্ত ১০ লক্ষ টাকা দেবেন বলে জানিয়েছেন। প্রত্যেকেই করোনা মেকাবিলায় সাহায্যের জন্য  এগিয়ে এসেছেন।'

আরও পড়ুন-করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ফেস মাস্ক কতটা নিরাপদ, কী বলছে সমীক্ষা...

আরও পড়ুন-৬২ শতাংশ করোনা রোগীই বিশ্বের ৫টি উন্নত দেশের, এখনও অনেকটাই নিরাপদে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়া...

আরও পড়ুন-করোনার বলি ভারতীয়, মালয়েশিয়ার হাসপাতালে মৃত্যু ত্রিপুরার বাসিন্দার...