ঋতুহীন জীবন, তবুও কিছু মানুষকে কুঁড়ে কুঁড়ে খায় তাঁর অনুপস্থিতি তাদের মধ্যে একজন হলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ঋতুপর্ণ ঘোষের সঙ্গে পরিচালক-অভিনেতার গন্ডি পেরিয়ে এক অন্য সম্পর্ক ছিল তাঁর পরিচালকের প্রয়াণদিবসে ফিরে গেলেন সেই সোনালি মুহূর্তে

আজ থেকে ঠিক সাত বছর আগে, বৃষ্টিভেজা সকালে হঠাৎ দমকা হওয়ার মত এসেছিল খবরটা। বুকটা ছ্যাঁত করে উঠেছিল শুনে। হঠাৎ করে চলে গেল, আগের রাতেই তো সব স্বাভাবিক ছিল। না কোনও অসুস্থতা, না কোনও কোনও ব্যাধি। মানুষের মৃত্যু, চরম সত্য, কিন্তু আজও মেনে নিতে কষ্ট হয়। ঋতুপর্ণ ঘোষের অনুপস্থিতি আজও কুঁড়ে কুঁড়ে খায় অসংখ্য মানুষকে। ঠিক যেমন ইরফান খানের চলে যাওয়ায় চোখের জল ফেলেছিল হাজারও ভক্ত, তেমনই ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যুও মেনে নিতে বুকটা ভারি হয়ে আসছিল। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুনঃসমকামী না অসমকামী, মৃত্যুবার্ষিকীতে ফিরে দেখা এক অন্য 'ঋতু '-কে

তাঁর জন্মবার্ষিকী হোক বা প্রয়াণদিবস, প্রসেজিৎ চট্টোপাধ্যায় কাছে আজও তাঁর অনুপস্থিতি যেন এক অন্য আবেগে ভরিয়ে তোলে। প্রয়াণদিবস ছাড়াও যে ঋতুর কথা তার মনে পরে, তা অভিনেতার লেখাতেই স্পষ্ট। সোশ্যাল মিডিয়ায়, ঋতুপর্ণের একটি কোলাজ ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন, "আজ ৭ বছর হয়ে গেলো তুই আমাদের ছেড়ে চলে গেছিস। আজও প্রত্যেক মূহুর্তে মনে পড়ে তোকে। কত স্মৃতি, কত না বলা অভিমান, কত অসম্পূর্ণ কাজ।তোর হাত ধরেই তো মানুষ আমায় নতুন করে চিনলো।তুই তো আমার অনিয়মের ঋতু, নিয়মের ঋতু...যেখানে থাকিস ভালো থাকিস বন্ধু।"
আরও পড়ুনঃরণবীরের প্রেমে মাতোয়ারা হয়ে 'আরকে' ট্যাটু আজও কি আছে, প্রশ্ন করতেই এ কেমন জবাব দিলেন দীপিকা

View post on Instagram

কমর্শিয়াল ছবির হিরো থেকে উচ্চ-মধ্যবিত্ত এবং ভিন্ন ধরণের সিনেপ্রেমীদের ড্রয়িং ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ। নেপথ্যে এই ঋতুপর্ণ ঘোষই। তিনি নিজে হাতে গড়ে তুললেন অভিনেতাকে। মনের মত করে সাজাতেন প্রত্যেক ছবিতে। অভিনেতাও নিজেকে ভেঙে নতুন রূপে তৈরি করলেন। সে যেন এক অন্য প্রসেনজিতের দেখা পেল দর্শক। একের পর এক ছবিতে তাঁর ভিন্ন রূপ। ঋতুদার কাছে তিনি চিরকৃতজ্ঞ। সিনেমোদিদের কাছে ঋতু-প্রসেনজিৎ জুটি আজও ভারী প্রিয়। উনিশে এপ্রিলের সুদীপ কিংবা চোখের বালির মহেন্দ্র, বা দোসরের কৌশিক বাঙালিকে এক অন্য প্রসেনিজৎ চট্টোপাধ্যায় উপহার দিয়েছিলেন ঋতুদা।