বলি অভিনেতা সুশান্তের মৃত্য যেন গোটা ইন্ডাস্ট্রিকে নাড়িয়ে দিয়ে গেছে। বলি মহলের অন্ধকার দিককে যন তিনি আরও ভাল করে দেখিয়ে দিয়ে গেছেন। তবে শুধু বি-টাউনেই নয়, টলিপাড়াতেও  এই যথেষ্ঠ প্রভাব রয়েছে। টলি ইন্ডাস্ট্রির স্বজনপোষণ নিয়ে রীতিমতো বোমা ফাটালেন টলি অভিনেত্রী শ্রীলেখা  মিত্র। টলিপাড়ার কালো দিক নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেত্রী।

আরও পড়ুন-স্বজনপোজন নিয়ে বুম্বা-ঋতু জুটিকে তোপ শ্রীলেখার, পাল্টা একাধিক প্রশ্নের মুখে অভিনেত্রী...

শ্রীলেখার বিস্ফোরক বয়ানে বাদ পড়েননি কেউই। প্রসেনজিৎ থেকে ঋতুপর্ণা, সৃজিত, স্বস্তিকা, পরমব্রত,অশোক ধানুকা সকলকে নিয়েই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী। আর শ্রীলেখার সেই মন্তব্যের যোগ্য জবাবই তাকে ছুড়ে দিলেন স্বস্তিকা। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একহাত নিলেন শ্রীলেখা। কোনওদিনই চুপ থাকার পাত্র তিনি নন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবার আগেই গর্জে উঠেছেন স্বস্তিকা মুখার্জি। এবারও তার অন্যথা হল না, দেখে নিন স্বস্তিকার পোস্টটি।

 

 

তিনি দীর্ঘ পোস্টে  একটি ছোট প্রশ্ন তুলেছেন। স্বস্তিকা বলেছেন, ' ছোট্ট প্রশ্ন। যখন কোন অভিনেত্রী কোন পরিচালকের সঙ্গে এক বা একের বেশি ছবি করে তখন বলা হয় সে শুয়ে বা প্রেম করে কাজটা পেয়েছে। বেশ। তা আমি এক পরিচালকের সঙ্গে তার জীবনের ১৭টা ছবির মধ্যে আড়াইখানা ছবি করেছি (২টি মুখ্য চরিত্র, ১টি অতিথি শিল্পী)। কিন্তু যেহেতু এই পরিচালকের সঙ্গে সৌমিক হালদার ১১টা, অনুপম রায় ৯টা,  প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ৭টা, যীশু সেনগুপ্ত ৭টা, অনির্বাণ ভট্টাচার্য ৬টা এবং পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ৬টা কাজ করেছেন, তারা নিশ্চয় আরো বেশি করে শুয়ে আর প্রেম করে কাজগুলো পেয়েছেন? এনারা তাহলে সবাই উভকামী ও সুযোগসন্ধানী? যুক্তি তো সবার ক্ষেত্রেই এক হওয়া উচিৎ, তাই না? নাকি নিজের খামতি ঢাকতে স্লাটশেমিং শুধু আমাদের মত 'কুযোগ্য' অভিনেত্রীদের করা হবে যারা একেবারেই অভিনয়টা পারেনা?'

তার একটাই প্রশ্ন যারা কিনা একই পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেন তারা সকলেই কি শুয়ে তারপর কাজ পান?শ্রীলেখা যখন জানিয়েছেন, সৃজিতের সঙ্গে তার ভাল সম্পর্ক থাকলেও তাকে কাজে না নিয়ে তিনি স্বস্তিকাকে নিয়েছেন, এখানেও স্বস্তিকা জানিয়েছেন, সৃজিতের সঙ্গে তার গভীর প্রেম ছিল। তাই তিনি সৃজিতের ছবিতে কাজ পেয়েছেন। সৃজিতের নাম না করে একবারে হাতে কলমে হিসেব করে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন। আর যারা নাকি একের অধিক সিনেমা করেছেন তা ছেলে হোক কিংবা মেয়ে সকলেই শুয়েছেন। তাহলে তারা সকলেই উভকামী। এতদিন শ্রীলেখা মিত্র নামটাই যেন যথেষ্ঠ ছিল। পুরুষদের আকৃষ্ঠ করতে তার জুড়ি মেলা ভার। এই বয়সে এও নেটদুনিয়ায় নিজের জায়গাটা বেশ জাকিয়ে ধরে রেখেছেন অভিনেত্রী। বাঙালি কন্যার শাড়ির ভাঁজে ক্লিভেজ উন্মুক্ত করেই হোক, কিংবা সমাজেসেবামূলক কাজ করেই হোক- সবেতেই সাবলীল শ্রীলেখা। কিন্তু এবারের বিস্ফোরক শ্রীলেখা যেন গোটা টলি ইন্ডাস্ট্রির চেহারাটা মুহূর্তে বদলে দিয়েছে।