চার হাত একে হতে সাক্ষী থাকল চারাগাছ। সম্পর্কের নতুন বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আগে হবু স্বামীকে মেহগনির  চারা দিল হবু স্ত্রী। পুরোহিতের মন্ত্র উচ্চারণের সঙ্গে গাছকে সামনে রেখে ভবিষ্যৎ জীবনের সংকল্প গড়ল বর্ধমানের নব দম্পতি। অভিনব এই বিয়ে দেখে সবুজায়নের শিক্ষা নিল সমাজ।

পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে 'ব্রাত্য', ক্ষোভ প্রকাশ রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের 

পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণের মধ্যে দিয়ে চার হাত এক হওয়ার আগেই গাছ দিয়ে নিবিড় বন্ধন তৈরি করা হলো নব দম্পতির। বিয়ের আসরে এই অভিনব এই প্রচেষ্টা পূর্ব বর্ধমানের নবস্থা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বেগুট গ্রামে। চার হাত এক হওয়ার ঠিক আগেই পাত্রী একটি মেহগনির চারা গাছ তুলে দিল পাত্রের হাতে। শুধু তাই নয়, বারোশো আমন্ত্রিত অতিথিদের একটি করে চারা গাছ উপহার দেওয়া হয়। হাতে উপহার এনে আবার উপহার নিয়ে ফিরে গেলেন তারা। 

কলকাতার ডাক্তার গৃহিনীর কামুকপনায় অতিষ্ঠ স্বামী, বিয়ে বাঁচাতে পায়ে 'ড্রাইভ' স্ত্রী-র

এদিন বেগুট গ্রামের বাসিন্দা অনন্যা দে-র সঙ্গে বিদেশে গবেষণারত শান্তনু হাটির বিয়ে সম্পন্ন হয়। এই উদ্যোগে তারা ভীষণ খুশি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই গ্রামেরই বাসিন্দা পাত্রীর বাবা উজ্জল দে। কৃষিক্ষেত্রে কৃষকরত্ন পুরস্কার পেয়েছেন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে। নজির সৃষ্টি করেছেন কৃষিক্ষেত্রে। শুধু তাই নয়, নিজের জায়গায় ঘটিয়েছেন সবুজের সমারোহ। আর সেই সবুজের বার্তা সকলের ছড়িয়ে দিতে বেছে নিয়েছেন নিজের মেয়ের বিয়ের আসর। 

চলতি বছরে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমছে মাধ্যমিকে, নকল এড়াতে কড়া মধ্যশিক্ষা পর্ষদ

আমন্ত্রিত অতিথিদের  একটি করে চারাগাছ উপহার তুলে দিয়ে থেমে থাকেননি। কন্যা অনন্যাকে দিয়ে চারা গাছ তুলে দিয়েছেন পাত্রের হাতে। গাছের মাধ্যমে নিজেদের বন্ধন আরও নিবিঢ় করতেই এই কাজ।  উজ্জ্বলবাবু জানিয়েছেন, গোটা বাংলায় এই ভাবে সবুজের বার্তা ছড়িয়ে পড়ুক, সবুজায়ন ঘটুক। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গাছ গ্রুপের অরূপ চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, গাছ নামে একটি গ্রুপ তিনি তৈরি করেছেন। সেই গাছ গ্রুপের সদস্য উজ্জ্বল দে। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে গাছ বিতরণের মাধ্যমে সবুজের সমৃদ্ধি ঘটানোর চেষ্টা ছাড়া সারা বছর ধরে চালিয়ে যান। তবে পাত্রী-পাত্রকে গাছ দেওয়ার এই ছবি সবুজের অন্য বার্তা বহন করবে বলাই বাহুল্য।