হাওড়ায় ঋণদানকারী সংস্থায় ডাকাতি হওয়া সোনার হদিশ মিলল বর্ধমানে। জাতীয় সড়কে নাকা চেকিংয়ের সময় একটি একটি পরিত্যক্ত গাড়ি দেখতে পায় পুলিশ। সামনে গিয়ে দেখা যায় গাড়ি ফেলে চম্পট দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। পুলিশ ওই গাড়িতে তল্লাশি চালানোর পর উদ্ধার হয় ২৬ কেজি সোনা। হাওড়ার রামরাজাতলায় গোল্ড লোন সংস্থায় লুটপাট চালিয়ে কোটি টাকারও বেশি সোনা লুঠ করেছিল দুষ্কৃতীরা। ডাকাতি হওয়া সেই সোনার কিছু পরিমান হওয়া উদ্ধার হয় বর্ধমানের নবাবহাটে।

আরও পড়ুন-তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিবাদ সভায় বোমা-বৃষ্টি, উত্তপ্ত পরিস্থিতি উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায়

আরও পড়ুন-মেছোভেড়ি নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ মেটাতে সালিশি সভা, পুলিশ-বিডিও সামনেই উত্তপ্ত পরিস্থিতি

কীভাবে স্বর্ণ ঋণদানকারী সংস্থায় ডাকাতি?

শনিবার দুপুরে হাওড়ার রামরাজাতলায় স্টেশন রোড এলাকায় একটি গোল্ড সংস্থার অফিসে গ্রাহক সেজে ঢোকে দুষ্কৃতীরা। সংস্থার অফিসে ঢুকেই আগ্নেয়াস্ত্র বের করে নিরাপত্তারক্ষীকে মারধর করে। পরে ওই অফিসে থাকা অন্যান্য গ্রাহকদের লকার রুমে আটকে দেয়। এরপর, সংস্থার ম্যানেজারকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভোল্টিতে নিয়ে গিয়ে সংস্থার সর্বস্ব লুঠ করে। শুধু তাই নয়, ওই সংস্থার অফিসে থাকা গ্রাহক সহ কর্মীদের মোবাইলও কেড়ে নেয় দুষ্কৃতীরা। পরে অফিসের সাটার বন্ধ করে চম্পট দেয়। প্রাথমিকভাবে জানা যায় প্রায় ২৬ কেজি সোনা লুঠ করেছে দুষ্কৃতীরা। লুঠ হওয়া ওই সোনার বাজার মূল্য ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা। 

আরও পড়ুন-রাত ১২টায় থানায় ঢুকিয়ে মাফিয়াদের জমি দিয়ে দিতে চাপ আইসি-র, প্রকাশ্য রাস্তায় গলায় ফাঁস প্রৌঢ়র

কীভাবে ডাকাতি হওয়া সোনা উদ্ধার ?

গোল্ড লোন সংস্থার অফিসে দশ মিনিটের অপারেশন চালিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। এরপরই পৌঁছায় জগাছা থানা ও গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকরা। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক দল। সংস্থার অফিস সহ ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। পাশাপাশি, জেলার সীমানা গুলিতে হাই অ্য়ালার্ট জারি করা হয়। এই অবস্থায়     বর্ধমান থানার নবাবঘাটে জাতীয় সড়কে নাকা চেকিং করছিল পুলিশ। তা দেখে গাড়িটিতে রাস্তার উপর ফেলে রেখে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। পুলিশ ওই গাড়ি থেকে লুঠ করার কিছু পরিমান সোনা উদ্ধার করেছে। ফেরার হওয়া দুষ্কৃতীদের খোঁজে এলাকায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।