পত্রলেখা বসু চন্দ্র, বর্ধমান:  লকডাউনের মাঝে বাড়ি ফিরে বিপদে পড়লেন দুই পরিযায়ী শ্রমিক। করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে তাঁদের। এলাকা সিল করে দিয়েছে প্রশাসন। পরিবারের লোক-সহ ৩১ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। আতঙ্কের পারদ চড়ল বর্ধমানে।

আরও পড়ুন: ফের করোনা ছোবল শিলিগুড়িতে, সংক্রমিত হলেন বিহার ও কলকাতা ফেরত দু'জন

গ্রিনজোনের তকমা ঘুচে গিয়েছে। করোনা সংক্রমণ ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানেও। জেলায় এখনও পর্যন্ত বারোজন আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। সেরে উঠেছেন ৫ জন। বাকিদের চিকিৎসার চলছে দুর্গাপুরের কোভিড হাসপাতালে। এই যখন পরিস্থিতি, ঠিক তখনই আরও দু'জন আক্রান্তের হদিশ মিলল ভাতার ও মঙ্গলকোটে। 

জানা গিয়েছে, ভাতারের পোষলা গ্রাম থেকে হরিয়ানায় শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিলেন বছর তিরিশের এক যুবক। দিল্লি থেকে তিনি হাওড়া পৌঁছান শুক্রবার। বর্ধমান ফেরার পর ওই পরিযায়ী শ্রমিককে রাখা হয় কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, যখন লালারস বা সোয়াব সংগ্রহ করা হয়, তখন কোনও উপর্সগ ছিল না। ওই যুবককে হোম কোরায়েন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু ঘটনা হল, সোয়াব টেস্টে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। 

আরও পড়ুন: ফের কলকাতা পুলিশে করোনা সংক্রমণ, এবার আক্রান্ত আনন্দপুর থানার সার্জেন্ট

মঙ্গলকোটের নতুনহাটের কোড়া পাড়ার বাসিন্দা এক যুবকও করোনা আক্রান্ত হয়েছে। চেন্নাই-এ শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। ফেরার পর লালারস সংগ্রহ করা হয়, ছিলেন হোম কোয়ারেন্টাইনে।  ভাতার ও মঙ্গলকোটের দুই আক্রান্তকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে দুর্গাপুরে, কোভিড হাসপাতালে। 

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে পূর্ব মেমারির এক যুবকের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে।  কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।  ভর্তি ছিলেন কলকাতায় বাইপাসের ধারে একটি নার্সিংহোমে। ছাড়া পাওয়ার আগে ওই যুবকের লালারস পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।