- Home
- Business News
- PM Mudra Yojana: ব্যবসা শুরু করতে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন দিচ্ছে সরকার! সবাই পাবেন?
PM Mudra Yojana: ব্যবসা শুরু করতে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন দিচ্ছে সরকার! সবাই পাবেন?
PM মুদ্রা যোজনার মাধ্যমে ছোট ব্যবসা শুরুর জন্য ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন কীভাবে পাবেন? শিশু, কিশোর, তরুণ ও তরুণ প্লাস—এই স্কিমের বিভিন্ন বিভাগ, যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় নথি এবং আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।

তরুণদের পাশে কেন্দ্রীয় প্রকল্প

ছোট ব্যবসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ
৫০ হাজার থেকে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন
কারা এই লোনের জন্য আবেদন করতে পারেন?
মহিলাদের জন্য বিশেষ সুযোগ
জামানত বা গ্যারান্টি লাগবে?
সুদের হার কত?
কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?
ব্যবসা এবং ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করে প্রয়োজনীয় নথির তালিকা বদলাতে পারে। সাধারণত আবেদনকারীর পরিচয় এবং ব্যবসা সংক্রান্ত নথি জমা দিতে হয়। **সাধারণত যে নথিগুলি তৈরি রাখতে হবে:** * আধার কার্ড সহ KYC নথি * প্যান কার্ড * ঠিকানার প্রমাণ * ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ * পাসপোর্ট সাইজের ছবি * ব্যবসা সংক্রান্ত নথি * বিজনেস প্ল্যান / প্রজেক্ট রিপোর্ট * ব্যবসার জায়গার নথি প্রয়োজন অনুযায়ী, যারা ইতিমধ্যেই ব্যবসা করছেন তাদের জন্য GST, উদিয়ম রেজিস্ট্রেশনের মতো নথি এবং যন্ত্রপাতি কেনার জন্য কোটেশন লাগতে পারে। সঠিক তালিকাটি লোন এবং ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ব্যাঙ্ক বা ঋণদাতা সংস্থা জানিয়ে দেবে। তাই আবেদনের আগে তাদের থেকে বর্তমান ডকুমেন্ট চেকলিস্ট চেয়ে নিন।
কীভাবে আবেদন করবেন?
মুদ্রা লোনের জন্য কাছের কোনও ব্যাঙ্ক বা এই প্রকল্পে অংশগ্রহণকারী অন্য ঋণদাতা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে আবেদন করা যায়। পাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্ক, প্রাইভেট সেক্টর ব্যাঙ্ক, গ্রামীণ ব্যাঙ্ক, স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্ক, NBFC, MFI-এর মতো বিভিন্ন সংস্থা মুদ্রা লোন দেয়। এছাড়া, জনসমর্থ পোর্টালের (JanSamarth Portal) মাধ্যমেও মুদ্রা যোজনা সহ কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যান্য ঋণ প্রকল্পের জন্য আবেদন করা যায়। PMMY বর্তমানে জনসমর্থ পোর্টালে তালিকাভুক্ত রয়েছে।
অনলাইনে আবেদন করা যাবে?
হ্যাঁ, করা যাবে। মুদ্রা প্রকল্পের অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী, কাছের ব্যাঙ্ক, NBFC বা MFI-তে যাওয়ার পাশাপাশি অনলাইনেও আবেদন করার সুবিধা রয়েছে। অনলাইন আবেদনে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে KYC এবং ব্যবসা সংক্রান্ত নথি জমা দিতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট ঋণদাতা সংস্থা আবেদনটি খতিয়ে দেখবে।
আবেদন করলে কত দিনে টাকা পাওয়া যায়?
নির্দিষ্ট ৭ বা ১৫ দিনের মধ্যে টাকা পাওয়ার কোনও সরকারি নিয়ম নেই। এটা মাথায় রাখা খুব জরুরি। আবেদনপত্র যাচাই করতে ব্যাঙ্ক বা ঋণদাতা সংস্থার কত সময় লাগবে, তা নির্ভর করে নথি ঠিক আছে কিনা, বিজনেস প্ল্যান, লোনের পরিমাণ, আবেদনকারীর ক্রেডিট প্রোফাইল এবং সংস্থার অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার ওপর। তাই "মুদ্রা লোনের জন্য আবেদন করলে ১০ দিনের মধ্যে টাকা নিশ্চিত" - এই ধরনের কথায় বিশ্বাস করবেন না। **বিজনেস প্ল্যান কেন জরুরি?** লোনের জন্য আবেদন করার সময় শুধু "আমার ৫ লক্ষ টাকা চাই" বললে হবে না। টাকাটা কী কাজে ব্যবহার করবেন, তা পরিষ্কারভাবে দেখানো জরুরি। যেমন, ৫ লক্ষ টাকা লোনের মধ্যে যন্ত্রপাতি কিনতে কত, দোকান সাজাতে কত, কাঁচামাল কিনতে কত এবং ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের জন্য কত খরচ হবে, তা বিজনেস প্ল্যানে বিস্তারিত উল্লেখ করতে হবে। এতে ঋণদাতা সংস্থার পক্ষে আপনার ব্যবসার সম্ভাবনা এবং ঋণ শোধের ক্ষমতা বুঝতে সুবিধা হয়।
২০ লক্ষ টাকা কি সবাই পাবে?
না, এই বিষয়টি খুব পরিষ্কারভাবে বোঝা দরকার। মুদ্রা যোজনার সর্বোচ্চ সীমা এখন ২০ লক্ষ টাকা। কিন্তু ১০ লক্ষের বেশি থেকে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত 'তরুণ প্লাস' লোন শুধু সেইসব উদ্যোগপতিদের জন্য, যারা আগে 'তরুণ' বিভাগে লোন নিয়ে সফলভাবে শোধ করেছেন। তাই প্রথমবার ব্যবসা শুরু করে কেউ সরাসরি ২০ লক্ষ টাকার 'তরুণ প্লাস' লোন পাবেন, এমনটা নয়। ব্যাঙ্ক বা ঋণদাতা সংস্থাই তার জন্য প্রযোজ্য বিভাগ এবং লোনের পরিমাণ মূল্যায়ন করবে। **মুদ্রা লোনের মূল সুবিধা** * জামানত-বিহীন ঋণ। * নতুন ও পুরনো উভয় ব্যবসার জন্য। * টার্ম লোন ও ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের জন্য লোন। * বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে ঋণের সুযোগ।
**মুদ্রা কার্ড কী?**
এটি একটি ডেবিট কার্ড, যা দিয়ে ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের টাকা প্রয়োজন মতো তোলা যায়। ATM, বিজনেস করেসপন্ডেন্ট বা পয়েন্ট অফ সেলের মাধ্যমে এটি ব্যবহার করা যায়। **কোথায় যোগাযোগ করবেন?** কাছের ব্যাঙ্ক, NBFC, MFI বা জনসমর্থ পোর্টালে যোগাযোগ করতে পারেন।
**বিশেষ দ্রষ্টব্য** মুদ্রা যোজনা কোনও অনুদান নয়, এটি একটি ঋণ প্রকল্প। সুদ-সহ পুরো টাকাটাই শোধ করতে হবে। ২০ লক্ষ টাকা সর্বোচ্চ সীমা, সকলের জন্য বরাদ্দ নয়। যোগ্যতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী লোনের পরিমাণ নির্ধারিত হবে।

