দক্ষিণ দিল্লির নিজামুদ্দিন যোগ ক্রমশই প্রকট হচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২ দিনে করোনাভাইরায়ে আক্রান্ত ৬৪৭ জনকে চিহ্নিত করা গেছে যাঁদের সঙ্গে কোনও না কোনও ভাবে যোগ রয়েছে তাবলিগি জামাতের।   কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে লব আগরওয়াল জানিয়েছেন, আন্দামন, নিকোবর, অসম, দিল্লি, হিমাচল, হরিয়ানাসহ দেশের ১৪টি প্রদেশে আক্রান্তরা ছড়িয়ে রয়েছেন।করোনাভাইরাসে মৃত প্রায় ১২ জনের যোগসূত্রের হদিশ পাওয়া গেছে নিজামুদ্দিনের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে। প্রাথমিক তদন্তের পর জানাগেছে ভারত ও অন্যান্য দেশ থেকে প্রায় বহু মানুশষই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৯ হাজার। এই রাজ্যের হলদিয়াতেও নিজামুদ্দিন যোগ পাওয়া গেছে। আক্রান্ত শ্রমিক হলদিয়া বন্দরে কর্মরত। তিনি দিল্লি  থেকে ফিরে কাজে যোগও দিয়েছিলেন। তাই শুক্রবার বন্ধ রাখা হয় বন্দরের সমস্ত কাজ। 

 

বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩৬। দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২৩০১ জন মানুষ। মৃতের সংখ্যা ৫৬। নিজামুদ্দিন যোগ সবথেকে বেশি পাওয়া গেছে মহারাষ্ট্রে। ৯ লক্ষেরও বেশি মানুষকে চিহ্নিত করা হয়েছে। যাদের ক্লাস্টার কোয়ারেন্টাইনে পাঠান হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের ২৪৫৫টি দল কাজ করছে। গোটা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সংশ্লিষ্টদের রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিছুটা একই ছবি তামিলনাড়ুতে। নতুন ১০২টি করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গেছে। যাদের মধ্যে ১০০  জনেরই নিজামুদ্দিন যোগ স্পষ্ট। উত্তর প্রদেশে আক্রান্ত ১৭২ জনের মধ্যে ৪৭ জনের যোগ রয়েছে তাবলিগি জামাতের জমায়ের সঙ্গে। অন্যদিকে কেরল সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ২৯৫ জনের মধ্যে ২০৯ জনেরই বিদেশ সফরের পূর্ব ইতিহাস রয়েছে। 

আরও পড়ুনঃ করোনা রুখতেই কি কৃষ্ণাঙ্গদের পায়ে চুমু খেলেন পোপ ফ্রান্সিস, দেখুন সেই ভিডিও

আরও পড়ুনঃ লকডাউনই জন্ম করোনা আর কোবিডদের, আলাপ করুন তাদের সঙ্গে

আরও পড়ুনঃ লকডাউন মানছেন না বয়স্ক বাবা, আটকাতে এবার পুলিশে এফআইআর দায়ের ছেলের ... Read more at: https://bangla.asianetnews.com/coronavirus-india/a-young-man-complained-to-delhi-police-that-his-father-is-not-following-covid-19-lockdown-orders-q87f8l


কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও তাঁদের পরিবার যেন নিজেদের সংযত রাখেন। অযোথা তাঁরা যেন উত্তেজিত না হয়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার না করেন। একই কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের নিরাপত্তা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ইতিমধ্যেই সব রাজ্যগুলিকে চিঠি লিখেছে।