দিল্লির ধর্মীয় সমাবেশ চিন্তা বাড়াচ্ছে বাংলার পুরুলিয়ায়ও হদিশ মিলল নিজামুদ্দিনে অংশগ্রহণকারীদের তথ্য প্রকাশ করলেন পুলিশ সুপার আতঙ্ক ছড়িয়েছে জেলায়  

নিজামুদ্দিন যোগে এবার আতঙ্ক ছড়াল পুরুলিয়ায়। দিল্লিতে ধর্মীয় সমাবেশে যোগ দিতে গিয়েছিলেন ৫৪ জন। সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানিয়েছেন খোদ পুলিশ সুপার এস সেলভা মুরুগান। তবে তাঁদের কেউই এখনও জেলায় ঢুকতে পারেননি বলে দাবি করেছেন তিনি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: মমতাকে আড়াই কোটি অর্থ সাহায্য, করোনা মোকাবিলায় কলকাতার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর

দিল্লির ধর্মীয় সমাবেশ থেকেই কি করোনা সংক্রমণ ছড়াল এদেশে? আশঙ্কা কিন্তু ক্রমশই বাড়ছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য, ওই ধর্মীয় সমাবেশের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, এমন ৬৪৭ জন করোনা আক্রান্তকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। এমনকী. ১২ জন মৃতের সঙ্গে নিজামুদ্দিনের যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। বাংলা থেকে কারা গিয়েছিলেন? তাঁদের সন্ধান শুরু করেছে স্বাস্থ্য দপ্তর। বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এ রাজ্য থেকে দিল্লির নিজামুদ্দিন মসজিদে ধর্মীয় সমাবেশ যোগ দিয়েছিলেন ৭০ জন। ৫৪ জন পাঠানো হয়েছে কোয়ারেন্টাইনে।

আরও পড়ুন: করোনা সন্দেহে আটক মৃতদেহের রিপোর্ট নেগেটিভ, তবু আইসোলেশনে ছেলে-দিদিমা ও কাকা

আরও পড়ুন: তন্বী কাকিমার লকডাউন এফেক্ট, বাড়িকেই বানিয়ে ফেললেন ডিস্কো থেক, হয়ে গেলেন ভাইরাল

পুরুলিয়া জেলায় এখনও কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি। উপসর্গ সন্দেহজনক হওয়ায় বেশ কয়েকজনের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল, তবে সবকটি রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে। কিন্তু নিজামুদ্দিন যোগ প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে জেলায়। সাংবাদিক সম্মেলনে খোদ পুলিশ পুলিশ সুপার এস সেলভা মুরুগান জানিয়েছেন, পুরুলিয়া থেকে দিল্লিতে ধর্মীয় সমাবেশে যোগ দিতে গিয়েছিলেন, এমন ৫৪ জনকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। তবে তাঁদের কেউ এখনও এলাকায় ফিরতে পারেননি। রাজস্থানের জয়পুর ও উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় আটকে রয়েছে সকলেই।

উল্লেখ্য, মার্চ মাসের মাঝামাঝি দিল্লির নিজামুদ্দিন এলাকায় একটি ধর্মীয় সমাবেশ আয়োজন করা হয়। সমাবেশে কমপক্ষে দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষ জমায়েত হয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, শহরের একটি ঘিঞ্জি এলাকায় একটি ছ'তলা ভবনে গাদাগাদি করে ছিলেন তাঁরা সকলেই। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের ইসলাম ধর্মালম্বীরা যেমন ছিলেন, তেমনি ছিলেন বহু বিদেশ নাগরিকও। সমাবেশ থেকে ফিরে যাওয়ার পর তেলেঙ্গানায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ৬ জন। কাশ্মীরেও মৃত্যু হয়েছে এক ধর্মীয় নেতারও।