আজ থেকে ৫ বছর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় জোফ্রা আর্চার ব্যাটসম্যানদের সতর্ক করে বলেছিলেন দুটি করে হেলমেট কিনে রাখার জন্য়। বিশ্বকাপের মঞ্চে এসে নিজের কথা সত্যি করে দেখলেন তিনি। আর সেই প্রদর্শনের জন্য বেছে নিলেন সেমিফাইনাল ম্যাচকেই।

এদিন প্রথম স্পেলে একেবারে আগুনে বল করছিলেন দুই ইংরেজ পেসার ক্রিস ওকস এবং জোফ্রা আর্চার। তাঁদের দাপটে ১৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল অস্ট্রেলিয়া। এই অবস্থায় স্মিথের সঙ্গে ব্য়াট করছিলেন অস্ট্রেলিয় উইকেট রক্ষক অ্যালেক্স কেরি। জোফ্রা আর্চারের একটি ভয়ঙ্কর বাউন্সার আছড়ে পড়ে তাঁর হেলমেটে।

আরও পড়ুন - চ্যাম্পিয়নের মতোই খেলল ইংল্য়ান্ড! অজিরা যেন অবিকল ভারত

আরও পড়ুন - খুবই উদ্বেগের, গত পাঁচ বছর ধরেই চলছে ভারতের এই প্রবণতা! দেখুন পরিসংখ্যান

আরও পড়ুন - ছিটকে যাওয়ার চাপেই কি কাবু বিরাট, বারবার নকআউটে ব্যর্থতার রেকর্ড তাই বলছে

বলের গতি এক বেশি ছিল এবং এত আচমকা লাফিয়ে উঠেছিল যে কেরি মাথা সরাবার সময়টুকু পাননি। বলের আঘাত এত জোরে ছিল যে কেরির মাথা থেকে হেলমেটও ছিটকে যায়। আর তারপরই দেখা যায় তাঁর চিবুক ফেটে রক্ত ঝড়ছে।  

কেরি ড্রেসিংরুমের দিকে হাত দিয়ে ইশারা করেন, যে তিনি ঠিক আছেন। তবে আম্পায়াররা অস্ট্রেলিয়া দলের চিকিৎসককে মাঠে ডেকে নেন। তিনি কেরির চোয়ালে ব্যান্ডেজ বেঁধে দেন। অনেকটা ওয়েস্টইন্ডিজ সফরে ভাঙা চোয়াল নিয়ে খেলে যাওয়ার মতো, কেরিও বাকি সময়টা ওই ফেটে যাওয়া চিবুক নিয়েই খেলে গেলেন।

ব্যান্ডেজের উপর থেকেও রক্ত বেরিয়ে এলেও তিনি থামলেন না। শেষ পর্যন্ত দারুণ প্রয়োজনীয় ৪৬ রান করে গেলেন। স্মিথের সঙ্গে জুটিতে ১০৩ রান যোগ করলেন। তবে আর্চার দীর্ঘদিন বাদে কিন্তু গতি ও বাউন্সে প্রতিপক্ষকে ভয় পাওয়াবার বিরল দৃশ্য ফিরিয়ে আনলেন ক্রিকেট মাঠে।