লজ্জা পিছু ছাড়ছে না পাক ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়া পাকিস্তান টেস্ট সিরিজে দ্বিতীয় টেস্টেও হারের মুখ দেখতে পাক শিবিরকে। প্রথম টেস্টে ইনিংস ও পাঁচ রানে হারের পর দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ও ৪৮ রান হারতে হল আজার আলির দলকে। এই নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টানা ১৪টি টেস্ট হেরে লজ্জার রেকর্ড গড়ল পাক শিবির। এমনটা যে হতে চলেছে সেটা বোঝা গিয়েছিল ম্যাচের দ্বিতীয় দিনই। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ৫৮৯ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে পাকিস্তান ৬ উইকেট হারিয়ে তুলেছিল মাত্র ৯৬ রান। তৃতীয় দিন বাবর আজম ও ইয়াশির শাহের ব্যাটে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ফলো অন বাঁচাতে পারেননি। 

 

 

আরও পড়ুন - রবিবার দলকে করলেন চ্যাম্পিয়ন, সোমবার বিয়ের পিঁড়িতে ভারতীয় ক্রিকেটার

তৃতীয় দিন অফো অন করতে নেমে আবার তাসের ঘরের মত ভেঙে পরতে শুরু করে পাকিস্তানের ব্যাটিং। তৃতীয় দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান ৩৯ রান করতে গিয়েই তিন উইকেট হারায়। চতুর্থ দিন মাঠে নেমে আরও ২০০ রান যোগ করে পাক ব্যাটিং। দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের ব্যাটিং গুড়িয়ে দেন অজি স্পিনার ন্যাথান লায়ন। ৬৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন তিনি। তিনটি উইকেট জস হ্যাজেলউডের। পাকিস্তানের হয়ে সব থেকে ৫৭ রানের ইনিংস খেলেন আসাদ সাফিক। 

 

 

আরও পড়ুন - মুস্তাক আলি ট্রফিতেও ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব, এজিএম শেষে সৌরভের কথায় চাঞ্চল্য

প্রথম ইনিংসে ১৫৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। দ্বিতীয় টেস্টে খললেন ৩৩৫ রানের এক অনবদ্য ইনিংস। দুই টেস্টের সিরিজ শেষ হওয়ার পর ডেভিড ওয়ার্নারকেই ম্যান অব দ্য ম্যাচ ও ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার দেওয়া হয়। অস্ট্রেলিয়ার দাপট নিয়ে যেমন সবাই উচ্চ্বসিত তেমনই পাকিস্তানের ভরাডুবি নিয়ে চলসে সমালোচনা। প্রাক্তন পাক ক্রিকেটাররা দেশের এই অবস্থা মেনে নিতে নারাজ। বদল চাইছেন তাঁরা। কিন্তু আর কত বদল হবে। অস্ট্রেলিয়া আসার আগে অধিনায়ক বদল হয়েছিল পাক ক্রিকেটে। কিন্তু তাতে পারফরম্যান্স বদল হল কোথায়? একদিকে বিরাটের ভারত যখন একের পর এক মাইল স্টোন গড়ে চলেছে তখন পাকিস্তান ক্রিকেট দিনের পর দিন অন্ধকারে তলিয়া যাচ্ছে। আর এই পরিস্থিতি বরদাস্ত করতে পারছে না পাকিস্তানার ক্রিকেট মহল। 

 

 

আরও পড়ুন - অনেক সহ্য করেছি আমরা, স্ত্রী অনুষ্কার পাশে দাঁড়িয়ে মন্তব্য বিরাট কোহলি