দেশ জুড়ে লড়াইয়ে নেমেছে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে দেশ জুড়ে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একইসঙ্গে করোনা মোকাবিলায় দেশবাসীকে এগিয়ে এসে পিএম কেয়ার্স ফাণ্ডে অনুদানের আহ্বানও জানিয়েছেন নমো। প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে এগিয়ে এসেছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। লড়াই এগিয়ে এসছেন অসংখ্য ক্রীড়াবিদরা। শুধু কেন্দ্রীয় সরকার নয়, রাজ্য সরকারের তহবিলেও যথাসাধ্য অনুদান দিচ্ছেন সকলে। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এ বার এগিয়ে এলেন বাংলার আম্পায়াররা।

আরও পড়ুনঃকরোনা ভাইরাসের জেরে পিছিয়ে যেতে চলেছে ২০২১ মহিলা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ

রাজ্য মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলেও অনুদান দিচ্ছেন অনেকেই। এবার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল বা সিএবি-র বিভিন্ন গ্রেডের রেজিস্টার্ড ১৫৭ জন আম্পায়ার তাঁদের বেতনের একাংশ তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে। দেড়শোর বেশি আম্পায়ারের তরফে মোট উঠেছে ১,৯১, ৮৪০ টাকা। সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া ও সচিব স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের আবেদন সাড়া দিয়েই আম্পায়াররা করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দিয়েছেন। সিএবির আম্পায়ারদের এই অনুদানকে সাধুবাদ জানিয়েছে সিএবি। সাধুবাদ জানানো হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেও। বাংলার পেসার ঈশান পোড়েলও এগিয়ে এসেছেন করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে। তিনি রাজ্য সরকারের ত্রাণ তহবিল ও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল, দুই তহবিলেই দিয়েছেন ২০,০০০ টাকা। আর ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন স্থানীয় হাসপাতালে। যাতে মাস্ক, গ্লাভস ও স্যানিটাইজার কেনা যায়। 

আরও পড়ুনঃকেন বাবার হাতে মার খাচ্ছেন যুজবেন্দ্র চাহল, দেখুন ভাইরাল ভিডিও

আরও পড়ুনঃকরোনা ভাইরাসের জের, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে এই প্রথম পিছিয়ে গেল উইম্বলডন

করোনা বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এর আগে ২৫ লক্ষ টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দেওয়া হয়েছিল। সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া ব্যক্তিগতভাবে আরও ৫ লক্ষ টাকা অনুদান দান। পরে সিএবির পক্ষ থেকে আরও ১৭ লক্ষ টাকা করোনা মোকাবিলায় দেওয়া হয়। এছাড়া বাংলার মহারাজ তথা বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ৫০ লক্ষ টাকার চাল অনুদান দিয়েছেন। এছাড়াও বেলুরমঠে ২ হাজার কিলো চাল দিয়েছেন সৌরভ। এবার সিএবির আম্পায়ারদের এই উদ্যোগ কুর্নিশ জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রেমিরা।