মঙ্গলবার রাত থেকে সিএবির নির্বাচনে ফের বাধা সৃষ্টি করল বিসিসিআই-র সিওএ। আগামী ২৮ সেপ্টম্বর তথা মহালয়ার দিন হওয়ার কথা ক্রিকেট অস্যোসিয়েশন অব বেঙ্গলের নির্বাচনী এজিএম। সেই নিয়ে তরি ঘড়ি প্রস্তুতিতেও নেমে পড়েছিল সিএবির কর্মকর্তা সহ সংস্থার নির্বাচনী আধিকারিক সুশান্ত রঞ্জন উপাধ্যায়ও। তবে মঙ্গলবার সিওএ-র চিঠি সিএবির মাপকাঠিতে আঘাত করে দিল। ৭০ বছরের উর্ধে ভোটাধিকার পাবেন না কোনও কর্মকর্তা সহ সদস্যরা। এমনকি মঙ্গলবার সিওএর নির্দেশ অনুযায়ী ৬ বছরের বেশি একটি পদে থাকলে নির্বাচনে লড়াই করতে পারবেন না সেই প্রার্থী। একই সঙ্গে ৯ বছর সংস্থার সদস্য পদে থাকলেও এজিএমের অংশ নিতে পারবেন না সেই সদস্য । এই ৯ বছরের মেয়াদের মধ্য রয়েছে সচিব, যুগ্ম-সচিব, কোষাধজ্ঞ, সভাপতি ও সহ-সভাপতি পদও। তাছাড়াও কার্যকরি কমিটির সদস্যপদকেও ধরা হচ্ছে এই ৯ বছরে।

আরও পড়ুন, সংবাদপত্রে খোলসা ব্যক্তিগত জীবন, একহাত নিলেন ইংল্যান্ড অলরাউন্ডার


এবার এই বিষয় নিয়ে প্রবল জল্পনার সৃষ্টির হয়েছে বাংলা ক্রিকেট মহলে। যদি এমনটা হয় তাহলে ভোটাধিকার থেকে লুপ্ত হতে পারেন অর্ধেকেরও বেশি সদস্য। সেই নিয়ে এবার চিন্তায় পড়ে গিয়েছে বিভিন্ন ক্লাবগুলিও। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে ইতিমধ্যেই প্রর্থী সহ সদস্য পদ প্রায় ঠিক করে ফেলেছিল সিএবির গোষ্ঠীরা। পাশাপাশি এই চিঠি পাওয়ার পর এবার সংকটে পড়ে গিয়েছেন সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও। এবার মহারাজের সভাপতি পদ নিয়েও শুরু হয়ে গিয়েছে জল্পনা। সৌরভের সভাপতি পদের ৬ বছরের মেয়াদ শেষ হতেই চলেছে আগামী বছর ২০২০-র জুলাই মাসে। তবে ৯ বছরের মেয়াদ দেখতে গেলে এবছরই সেটা পার হয়ে যাবে মহারাজের। সিএবির সভাপতী ও সচিব পদে আসার আগেও কার্যকরি কমিটির সদস্যও পদে ২ বছর ছিলেন সৌরভ। আর সেই কারণে এবার সভাপতি পদে লড়াই করতে পারবেন কি না সিএবি-র বর্তমান সভাপতি সেই নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা।

জানতে পড়ুন, ফোকাসে ঋষভ পন্থ, বুধবার ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ মোহালিতে


তবে সিএবি সূত্রে খবর ইতিমধ্যই বিসিসিআই-র সিওএ-র কাছে প্রার্থনা করা হয়েছে বাংলা ক্রিকেট সংস্থার পক্ষ থেকে। ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে এক সিএবি সদস্য বলেন, 'সিএবিতে আমরা দীর্ঘদিন আছি। ভোট সবার গণতান্ত্রীক অধিকার। আর সেখানে বয়স বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। আমাদের তরফ থেকে সিওএ-র কাছে অনুরোধ করা হয়েছে। দেখা যাক এবার কি হয়।' এই ঘটনার পর সিএবিতে এই মুহূর্তে স্তগিত আছে মনোনয়ন পেশ। মঙ্গলবার সব কাজ স্তগিত রেখেছেন সিএবির পক্ষ থেকে নিয়োগ নির্বাচনী আধিকারিক। তবে এই বিষয় নিয়ে শুধু সিএবি নয়, বাকি রাজ্যের ক্রিকেট সংস্থাগুলো রয়েছে ধোঁয়াশায়। আর সূত্রের খবর বেশ কিছু সংস্থার সঙ্গে যোথ্য ভাবেই এই আবেদন করেছে বাংলা ক্রিকেট সংস্থা। আর সেই আবেদনের পালটা খবরের অপেক্ষায় রয়েছে সিএবি সহ বাকি সংস্থাগুলি।