দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটকে পথে ফেরাতে একের পর এক চম দেখা যাচ্ছে। সবার প্রথমে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকার ক্রিকেট ডিরেক্টর পদে এসেছেন প্রাক্তন অধিনায়ক গ্রেম স্মিথ। আর দেশের ক্রিকেটের দায়িত্ব নিয়ে একের পর এক চমক দেখাচ্ছেন স্মিথ। সবার প্রথমে নিজের সতীর্থ প্রাক্তন উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান মার্ক বাউচারকে কোচের পদে নিয়ে এসেছেন স্মিথ। তবে এখানেই শেষ নয়, বাউচারের সহকারি নিয়োগের ক্ষেত্রেও একের পর এক চমক দিচ্ছেন স্মিথ। এবার ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং পরামর্শদাতার পদে এলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার জ্যাক কালিস। একই সঙ্গে বোলিং কোচের পদে বসতে চলেছেন আরেক প্রাক্তন চার্ল ল্যাঙ্গারভেল্ট। 

 

 

আরও পড়ুন - দুই ওপেনারের জোড়া শতরান, শ্রেয়স-ঋষভের ঝড়, ৩৮৭ রান ভারতের

সাংবাদিক সম্মেলনে দলের হেড কোচ মার্ক বাউটচার জানিয়েছিলেন দলের উন্নিতর জন্য যা প্রয়োজন তা করতে তিনি পিছিয়ে যাবেন না। বরং নিজে উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যাবেন। কোচ বাউচার ও ক্রিকেট ডিরেক্টর জুটি যেমন কথা বলছেন তেমনই করেও দেখাচ্ছেন। কালিসের দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সঙ্গে যোগ দেওয়া সেটাই প্রমাণ হল। কালিস আইপিএলের কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের হেড কোচের পদে ছিলেন। এবারই তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে কেকেআর। কালিস দক্ষিণ আফ্রিকা ও বিশ্ব ক্রিকেটের একজন সেরা অল রাউন্ডার ছিলেন। এবার নিজেরে দেশের হারিয়ে যাওয়া ক্রিকেট গৌরব ফিরিয়ে আনার লড়াই করবেন তিনি। সঙ্গে থাকছেন বাউচার ও ল্যাঙ্গারভেল্ট। 

আরও পড়ুন - বৃহস্পতিবার শহরে আইপিএল নিলাম, ভাগ্য নির্ধারণ ৩৩২ ক্রিকেটারের

কালিস দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর এবার অনেকেই বিশ্বাস করছেন এবি ডিভিলিয়ার্সের অবসর ভেঙে ফিরে আসাটা সময়ের অপেক্ষা। কারণ বাউচার বলেছিলেন টি-২০ বিশ্বকাপে দলের তিনি গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারদের রাখতে চান। বলেছিলেন প্রয়োজন পরলে নিজেই কথা বলবেন এবির সঙ্গে। ২০১৯ বিশ্বকাপের সময়ই জাতীয় দলে ফিরতে চেয়েছিলেন এবি। কিন্তু তখন তাঁকে নেওয়া হয়নি। সেই নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। এবার সেই বিতর্কে যেন জল ঢালতে চাইছেন গ্রেম স্মিথরা। দক্ষিণ আফ্রিকা দল এখন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতি নিচ্ছে। 

আরও পড়ুন - চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে সিটির সামনে রিয়াল, লিভারপুলের সামনে অ্যাটলেটিকো