২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্টুয়ার্ট ব্রডকে মারা যুবরাজ সিংয়ের পরপর ছটি ছক্কা ক্রিকেট বিশ্ব ভুলবে না কোনও দিন। সেই টি২০ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেও খেলেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। ২০১১ ক্রিকেট বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে দুরন্ত পারফরমেন্স করেছিলেন যুবরাজ। হয়েছিলেম ম্যান অব দ্য সিরিজও। কিন্তু কেরিয়ারের শেষ লগ্নে এসে ভারতীয় দল থেকে ব্রাত্যই থাকতে হয়েছে যুবরাজ সিংকে। জায়গা হয়নি ২০১৯ বিশ্বকাপের দলে। গত বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের পরই ক্রিকেটকে বিদায় জানান যুবারজ। কিন্তু তার কেরিয়ারের হ্যাপি এন্ডিং না হওয়ায় আক্ষেপ রয়ে গিয়েছে যুবির। 

আরও পড়ুনঃহরভজনের বাড়িতে এক মাসে ইলেকট্রিক বিল ৩৩৯০০ টাকা,বিল দেখে মাথায় হাত ভাজ্জির

দারুণ বিদায়ী সংবর্ধনা চাননি। তার পরিবর্তে চেয়েছিলেন প্রাপ্য সম্মান দেওয়া হোক তাঁকে, দেওয়া হোক যোগ্য মর্যাদা।  সে সব কিছুই পাননি যুবরাজ সিংহ। উল্টে কেরিয়ারের শেষের দিকে বোর্ড তাঁর প্রতি যে মনোভাব দেখিয়েছে, তা যুবির কাছে অপেশাদারিত্ব বলেই মনে হয়েছে।  তাই বারবার বিসিসিআইয়ের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন যুবরাজ। যুবরাজ বলেছেন,'কেরিয়ারের শেষে চূড়ান্ত অপেশাদারিত্বের মুখে পড়তে হয়েছে। আর শুধু আমিই না। হরভজন সিং, বীরেন্দ্র শেহওয়াগ, জাহির খানের মতো তারকা ক্রিকেটারদের দিকে তাকান। খুব খারাপভাবে সবকিছু শেষ হয়েছিল। এটা ভারতীয় ক্রিকেটের অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আমার সঙ্গে এমনটা হওয়ায় অবাক হইনি। তবে একটা জিনিসই চাইব। ভবিষ্যতে যেন এই ছবিটা পালটায়। কেউ দেশের হয়ে দীর্ঘদিন খেললে তাঁকে যেন প্রাপ্য সম্মানটা দেওয়া হয়।'

আরও পড়ুনঃ৫ ব্যাটসম্যানের নাম জানালেন কুম্বলে, যাদের বল করতে হয়নি বলে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন তিনি

আরও পড়ুনঃ২০২৩ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বোর্ড প্রেসিডেন্ট পদে সৌরভেই আস্থা সুনীল গাভাসকরের

এখানেই শেষ নয়, নিজের কেরিয়ারের শেষ নিয়ে আরও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন যুবরাজ। ওই সাক্ষাৎকারে পঞ্জাব দ্য পত্তর বলেছেন,'আমি কিংবদন্তি নই। কিন্তু সততার সঙ্গে ক্রিকেট খেলেছি। আমি খুব একটা টেস্ট ক্রিকেট খেলিনি ঠিকই। টেস্ট ক্রিকেটে যাদের রেকর্ড ভাল, তাদেরকেই কিংবদন্তি বলা হয়। তাই বোর্ড কাদের সংবর্ধনা দেবে সেটা একান্তই বোর্ডের ব্যাপার। তবে আমার সঙ্গে বোর্ড যে ব্যবহার করেছে, তা অপেশাদারিত্বেরই পরিচয় রাখে।' ফলে যুবরাজের কথা থেকেউ স্পষ্ট দীর্ঘ বছর ধরে ভারতীয় দলের হয়ে নিজেকে উজার কারে দেওয়ার পরও বিসিসিআই যেটা করেছে তা প্রাপ্য নয়। ভবিষ্যতে এই সমস্যা থেকে বিসিসিআই বেরিয়ে আসবে বলে আশাবাদী যুবরাজ। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বোর্ডের উপর তার আস্থা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন যুবি।