প্রথমে টস ভাগ্য সাথ না দেওয়া পরে প্রথম সেশনে সৌরাষ্ট্র ওপেনারদের ধৈর্যশীল ব্যাটিং। রাজকোটে রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে শুরুটা ততটা ভাল না হলেও, দিনের শেষে বোলারদের দাপটে খেলায় ফিরেছে বাংলা দল। প্রথম দিনের শেষে সৌরাষ্ট্রের স্কোর ৫ উইকেট হারিয়ে ২০৬ রান। ফাইনালে বল হাতে ফের চমক দেখালেন বাংলার পেস ত্রয়ীর অন্যতম অস্ত্র আকাশ দীপ। একটি করে উইকেট পেয়েছেন ঈশান পোড়েল ও শাহবাজ আহমেদ।

আরও পড়ুনঃআইপিএল নিয়ে বিশাল ঘোষণা সৌরভের, কী বললেন বিসিসিআই সভাপতি

সোমবার সকালে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সৌরাষ্ট্রের অধিনায়ক জয়দেব উনাদকাট। বাংলার দুরন্ত ফর্মে থাকা পেস অ্যাটাকের কথা মাথায় রেখে কেটে ফেলা হয়েছিল উইকেটের ঘাসও। বাংলা দলেও দুটি পরিবর্তন  করা হয়। অভিষেক রমনকে বসিয়ে সুদীপ ঘরামিকে সুযোগ দেওয়া হয়। উইকেট রক্ষক শ্রীবৎস গোস্বামীর জায়গায় দলে ফেরেন ঋদ্ধিমান সাাহা। ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতে ধীরে চলো নীতি নেন সৌরাষ্ট্রের দুই ওপেনার হার্ভিক দেশাই  ও অভি বারোট। প্রথন সেশনে উইকেট ফেলতেও ব্যর্থ হন বাংলার বোলাররা। লাঞ্চের পর খেলায় ফেরে বাংলা। প্রথম উইকেটে ৮২ রানের পার্টনারশিপ করার পর শাহবাজ  আহমেদের শিকার হন হার্ভিক দেশাই। ব্যক্তিগত ৩৮ রানে আউট হন তিনি। অপরদিকে অর্ধশতরান করেন অভ বারোট। দলের  ১১৩ রানের রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৫৪ রানে আকাশদীপের বলে আউট হন অভি বারোট। সোরাষ্ট্রের হয়ে দ্বিতীয় অর্ধশতরান করেন বিশ্বরাজ জাদেজা। ১৬৩ রানে তৃতীয় উইকেট পড়ে সৌরাষ্ট্রের। ব্যক্তিগত ৫৪ রানে আকাশ দীপের বলে বোল্ড হন বিশ্বরাজ জেদেজা। সৌরাষ্ট্রের ইনিংসের চতুর্থ উইকেট নেন ঈশান পোড়েল। মাত্র ১৪ রানে এলবিডব্লু আউট হন শেল্ডন জ্যাকশন। এরপর ব্যাট করতে নামেন ভারতীয় টেস্ট দলের বর্তমান মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান চেতশ্বর পুজারা। যদিও অসুস্থতার কারণে শীঘ্রই মাঠ ছাড়েন পুজারা। এরপর দিনের শেষে আরও একটি উইকেট পান আকাশ দীপ। ব্যক্তিগত ৪ রানে আউট হন চেতেশ্বর সাকারিয়া। দিনের শেষে সৌরাষ্ট্রের স্কোর ৫ উইকেটে ২০৬।

আরও পড়ুনঃ২০১৪ থেকে ঝুলিতে নেই কোনও আইসিসি ট্রফি, তবু কী করে ক্রিকেটের সেরা শক্তি ভারত

আরও পড়ুনঃটোকিও অলিম্পিকের ছাড়পত্র পেল ৫ ভারতীয় বক্সার, শুভেচ্ছা কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর

দ্বিতীয় দিনের শুরুতে ব্য়াট করতে নামবেন চেতেশ্বর পুজারা। ফলে বাংলা দলের এখন একমাত্র লক্ষ্য পুজারার উইকেট ও সৌরাষ্ট্রকে যতটা সম্ভব কম রানে অল আউট করা। একইসঙ্গে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে বড় রান করে লিড নেওয়া। কারণ ফাইনাল জয়ের ক্ষেত্রে প্রথম ইনিংসের লিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। পজেটিভ রয়েছে অরুণ লালের দলও। বাংলার এখন লক্ষ্য একটাই ৩০ বছরের খরা কাটিয়ে আরও এক বার রঞ্জি জয়।