একদিকে করোনা মহামারীর জেরে পাকিস্তানে দুঃস্থদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এমনকী হিন্দু মন্দিরে গিয়ে ত্রাণ সামগ্রি দিচ্ছে ন। জাত-পাতের ভেদাভেদের বিপক্ষে বার্তা দিচ্ছেন। অপরদিকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সেই ত্রাণ বিলি করতে গিয়েই অশালীন ভাষায় আক্রমণ করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। আফ্রিদির এই রূপে হতবাক সব মহল। আগেও ভারতের বিরুদ্ধে একাধিকবার তোপ দেগেছেন শাহিদ আফ্রিদি। কিন্তু এবার প্রধনামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে করোনা ভাইরাসের থেকেও খারাপ বলে কটাক্ষ করেন আফ্রিদি। এই প্রসঙ্গে এবার প্রাক্তন পাক অধিনায়ককে এবার এক হাত নিলেন প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার গৌতম গম্ভীর। 

 

 

আরও পড়ুনঃএবার ফিরছে ক্রিকেট,৬ জুন থেকে অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হচ্ছে ঘরোয়া প্রতিযোগিতা

সম্প্রতি পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ত্রাণ বিলি করতে যান আফ্রিদি। সেই সময়ের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।য যেখানে আফ্রিদিকে বলতে শোনা য়ায়,  ভারতের দখলে থাকা কাশ্মীরের বেশিরভাগ নাগরিক পাকিস্তানের পক্ষে। ভারত জোর করে ওই এলাকা দখল করে রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ধর্মের নামে রাজনীতি করছে। মোদির মস্তিষ্ক করোনার থেকেও ভয়ংকর। আফ্রিদির এই বক্তব্য ভাইরাল হওয়ার পরই নিজের ভেতরের ক্ষোভ সামলে রাখতে পারেননি গৌতম গম্ভীর। সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। গম্ভীর লেখেন,কজন ১৬ বছর বয়সি মানুষ আফ্রিদি বলছে, পাকিস্তানের ৭ লক্ষ সেনাকর্মী আছে, ২০ কোটি মানুষ আছে। অথচ ৭০ বছর ধরে ওরা কাশ্মীরের জন্য ভিক্ষা চেয়েই চলেছে। আফ্রিদি, ইমরান খান, বাজোয়ার মতো লক পাকিস্তানের মানুষকে বোকা বানাতে ভারত এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামে যা খুশি বিষ ছড়াতে পারে। কিন্তু ওরা কোনওদিন কাশ্মীর পাবে না। আর বাংলাদেশের কথা মনে আছে তো?একইসঙ্গে আফ্রিদি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল বাজোয়াকে ‘জোকার’ বলে তোপ দাগলেন গম্ভীর।

 

 

আরও পড়ুনঃতুরস্কের টেলি সিরিয়ালে কী বিরাট কোহলি,মহম্মদ আমিরের পোস্ট করা ছবিতে জল্পনা

আরও পড়ুনঃআফ্রিদি তাকে কোনও দিনই দলে নিতে চাইতেন না, অভিযোগ দানিশ কানেরিয়ার

সম্প্রতি আফ্রিদি ও তার সংস্থার ত্রাণ বিলি নিয়ে প্রশমসা করেছিলেন হরভজন সিং ও যুবরাজ সিং। আফ্রিদির অনুরোধে তার সংস্থায় অর্থ সাহায্যের জন্য় প্রচারও করেন যুবরাজ ও হরভজন। কিন্তু আফ্রিদির মোদীকে আক্রমণ করায় বজায় চটেছেন ভাজ্জি। তিনি বলছেন, “আফ্রিদি যেটা বলেছে সেটা খুব দুঃখজনক। আমাদের দেশ এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাজে কথা বলাটা গ্রহণযোগ্য নয়। সত্যি কথা বলতে, ও আমাদের অনুরোধ করেছিল ওর সংস্থার হয়ে আবেদন করতে। সেজন্য সরল বিশ্বাসে আমরা ওকে সাহায্য করেছি। ওর সাথে আমাদের আর কোনও সম্পর্ক নেই। ওর উচিৎ নিজের দেশ এবং নিজের সীমার মধ্যে থাকা।” শুধু গৌতম গম্ভীর বা হরভজন সিং নয়, সোশ্যাল মিডিয়াতেও সমালোচিত হচ্ছেন আফ্রিদি।