করোনা ভাইরাস সংক্রমণ, লকডাউনের মধ্যেওঔ ম্যাচ গড়াপেটা নিয়ে তোলপার পাকিস্তান ক্রিকেট। সম্প্রতি পিএসএল চলাকালীন ম্যাচ গড়াপেটার প্রস্তাব পেয়েও বোর্ডকে না জানানোর অপরাধে ৩ বছরের জন্য নির্বাসিতি হয়েছেন পাকিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান উমর আকমল। যদিও পিসিবির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের কথা বলেছেন উমর। এরপর থেকেই পিসিবির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন একের পর এক পাক ক্রিকেটার। সেই তালিকায় নাম রয়েছে সেলিম মালিক, শোয়েব আখতার, রানা নাভেদ উল হাসান, মহম্মদ আসিফ, জুলকারনাইন হায়দর সহ একাধিক ক্রিকেটার। শোয়েব আখতারের বিরুদ্ধে তো আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্বকাপে টানা আক্রমের অধিনায়ক হওয়ার কারণ জানতে চেয়েও পিসিবির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন আমির সোহেল। সকলের একটাই মন্তব্য দুর্নীতির আঁতুরঘর হয়ে উঠেছে পিসিবি। এবার পিসিবির সমালোচনার পাশাপাশি ম্যাত গড়াপেটায় ভারতের নাম জড়িয়ে নয়া বিতর্কের সৃষ্টি করলেন প্রাক্তন পাকিস্তানি পেসার আকিব জাভেদ।

আরও পড়ুনঃকিংবদন্তী চুনী গোস্বামীর প্রয়াণে ভার্চুয়াল শোকসভার আয়োজন সিএবির

পাকিস্তানের একটি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে আকিব জাভেদ বলেছেন,'ম্যাচ গড়াপেটায় যুক্ত মাফিয়ার সঙ্গে ভারতের যোগ রয়েছে। আইপিএলেও এর আগে গড়াপেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। কিন্তু কারও কিছু করার সাহস নেই। এখনও পর্যন্ত সেই মাফিয়ার বিরুদ্ধে কারও কিছু করার সাহস হয়নি। কারণ এর শিকড় অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত।' আইপিএলেও এর আগে গড়াপেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। কিন্তু কারও কিছু করার সাহস নেই। হঠাতই এ সবের মধ্যে কেন ভারতকে টেনে আনলেন আকিব তা নিয়ে ইতিমধ্যেই উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। এর পেছনে অন্য কোনও অভিসন্ধি রয়েছে কিনা তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যদিও আাস দিলেও বিস্তৃতভাবে কিছুই বলেননি আকিব।

আরও পড়ুনঃচূড়ান্ত দিন ঠিক না হলেও জুনেই ফিরছে স্প্যানিশ লা লিগা,জানালেন মুখপাত্র

আরও পড়ুনঃবুন্দেসলিগায় ফুল ফুটিয়েছেন এই বাঙালি কোচ,জানুন রবিন দত্তের কাহিনী

এছাড়াও ৪৭ বছর বয়সি প্রাক্তন পাক পেসারের দাবি, ম্যাচ গড়াপেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলার জন্যই তাঁকে শাস্তি পেতে হয়েছিল। চরম শাস্তি পাওয়ার হুমকিও নাকি তিনি পেয়েছিলেন। ‘‘আমার খেলোয়াড় জীবন সময়ের আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল, কারণ আমি ম্যাচ গড়াপেটার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলাম। আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল, টুকরো টুকরো করে দেওয়া হবে। গড়াপেটার বিরুদ্ধে যদি কেউ আওয়াজ তোলে তা হলে তাঁর খেলোয়াড়জীবন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্তই চলতে পারে। এই কারণেই আমি পাকিস্তানের প্রধান কোচ কখনও হতে পারিনি।’’