২২ গজে তার দৃঢ় মানসিকতার প্রমাণ পেয়েছে ক্রিকেট বিশ্ব। তার আগুন ঝড়ানো বোলিং সামলাতে গিয়ে হিমসিম খেতে হয়েছে বিশ্বের তাবড় তাবড় ব্যাটসম্যানকে। টেস্ট, ওয়ান ডে থেকে টি-টোয়েন্টি  সব ধরনের ক্রিকেটেই নিজেকে প্রমাণ করেছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের পেস অ্যাটাকের অন্যতম প্রধান অস্ত্র মহম্মদ সামি। ২০১৫ ও ২০১৯ বিশ্বকাপেও নিজের জাত চিনিয়েছেন এই পেস বোলার। কঠিন মুহূর্তে একাধিকবার দলকে সাফল্য এনে দিয়েছেন সামি। কিন্তু অহে ন কঠিন মানসিকতার ব্যক্তিত্ব আতহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। তাও এক বার নয়, তিন-তিন বার। কী শুনে অবাক লাগছে তো। এই কথা স্বয়ং জানিয়েছেন বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা পেস বোলার।

আরও পড়ুনঃকরোনা টেস্টের পরই অনুশীলনে ফিরতে পারবেন মেসি, সুয়ারেজ, গ্রীজম্যানরা

লকডাউনে সতীর্থ রোহিত শর্মার সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে লাইভ চ্যাটে আড্ডায় বসেছিলেন সামি। সেই আলোচনাতেই ব্যক্তিগত জীবনে যে কতটা অন্ধকার সময়ের মধ্যে দিয়ে মহম্মদ শামিকে যেতে হয়েছে, সে কথা তুলে ধরেন ভারতীয় পেসার। সামি জানিয়েছে মাঝে জীবনে এম পরিস্থিতি এসেছিল য়ে তিনি আত্মহত্যার কথাও ভেবেছিলেন। কিন্তু কেন জীবন শেষ করে ফেলতে চেয়েছিলেন সামি? তিনি জানিয়েছেন,"২০১৫ সালের বিশ্বকাপে আমি যখন চোট পাই, তারপরে পুরোপুরি সুস্থ হতে আমার ১৮ মাস সময় লেগেছিল, এটি আমার জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক মুহূর্ত ছিল, এটি ছিল খুব কঠিন সময়। প্রচণ্ড চাপের মধ্যে ছিলাম। কবে খেলায় ফিরবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। আমি যখন আবার খেলতে শুরু করি তখন আমাকে যেতে হয়েছিল কিছু ব্যক্তিগত সমস্যার মধ্যে দিয়ে, আমার মনে হয়েছিল আমার পরিবার যদি আমাকে সমর্থন না করে তবে আমি কিছু করতে পারব না, আমি তিনবার আত্মহত্যা করার কথাও ভেবেছিলাম"।

আরও পড়ুনঃকী নাম রেখেছেন নিজের দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের,জানালেন স্বয়ং সাকিব আল হাসান

আরও পড়ুনঃকরোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে ফেসবুকের উদ্যোগে ভার্চুয়াল কনসার্ট,বলি তারকাদের সঙ্গে যোগ দেবেন কোহলি

একটা সময় চোটে জর্জরিত ছিলেন শামি। ২০১৮ সালের মাঝপথে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ফিরে আসার পরে নিজেকে ফিরে পান। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার হিসেবে। কিন্তু এরই মাঝে আবার জড়িয়ে পড়েন ব্যক্তিগত সমস্যায়। বছর দুয়েক আগে স্ত্রী হাসিন জাহানের সঙ্গে বিবাদ শুরু হয় এই ভারতীয় পেসারের। থানা-পুলিশ থেকে আদালতে গিয়েছে যে মামলা। অন্ধকার অতীতের দিকে ফিরে তাকিয়ে শামি এ দিন রোহিতকে বলেছেন,কেউ আমার সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা থাকত, আমি মানসিকভাবে ভাল ছিলাম না, আমার পরিবার ছিল আমার জন্য, আপনার পরিবার যদি থাকে তবে আপনি যে কোনও পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে পারেন। আমার পরিবার যদি না থাকত তবে আমি খারাপ কোনও পদক্ষেপ নিয়ে ফেলতাম, তবে আমি পরিবারকে আমার সঙ্গে সব সময় থাকার জন্য ধন্যবাদ জানাই"।