১৫ অগাস্ট সন্ধার একটা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট। আলোড়িত করে তোলে আসমুদ্র হিমাচলকে। যেই আলোড়নে ভাটা পড়ার এতটুকু নাম নেই। বিশ্ব ক্রিকেট জুড়ে এখন শুধুই আলোচনা, আবেগ, ভালোবাসার একটাই নাম মহেন্দ্র সিং ধোনি। ধোনির অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত ও তার প্রতি মানুষের আবেগ যে কোনও সীমানা, গন্ডি বা কাঁটাতার মানে না, তা প্রমাণ করেছেন বিখ্যাত পাক সমর্থক বসির চাচা ক্রিকেট  মাঠকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্তে। পাকিস্তানের বর্তমান ও প্রাক্তন ক্রিকেটাররাও ধোনির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তবে ধোনিকে শেষবারের মত ভারতীয় জার্সিতে না দেখার আক্ষেপ সকলের মধ্যেই রয়েছে। ধোনির ফেয়ারওয়েল ম্যাচ নিয়েও আলোচনা চলছে। পাকিস্তানের প্রাক্তন স্পিড স্টার শোয়েব আখতার ধোনিকে শেষবারের মত মাঠে ফেরানোর জন্য উপায় বাতলে দিলেন। যেই পদ্ধতি অবলম্বন করলে আবেদন নাও ফেরাতে পারেন তিনি।

আরও পড়ুনঃনা সচিন, না সৌরভ, ভারতের ইতিহাসে প্রথম এই সম্মান পেতে চলেছেন ধোনি

সোশ্যাল মিডিয়ায় এক সাক্ষাৎকারে রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস বলেছেন, '২০২১ সালে টি২০ বিশ্বকাপ খেলার জন্য ধোনিকে অনুরোধ করা উচিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। সেই অনুরোধ সহজে ফেরাতে পারবেন না ধোনি। ফলে প্রধানমন্ত্রী অনুরোধ করলে ফের মাঠে ফিরতে পারেন ধোনি। তাতে স্বপ্নপূরণ হবে কোটি কোটি ধোনি ভক্তদের।' উদাহরণ স্বরূপ শোয়েব আখতার বলেছেন,'জেনারেল জিয়া-উল-হক ইমরান খানকে ১৯৮৭ সালের পরে ক্রিকেট ছেড়ে না-যেতে বলেছিলেন এবং তারপর তিনি খেলেছিলেন৷ কারণ আপনি প্রধানমন্ত্রীকে না-বলতে পারবেন না।' ধোনির অবসর নিয়ে ভাবনা চিন্তা রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারেরও। এবার দেখার বিষয় সত্যিই  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ জয়ী প্রাক্তন অধিনায়ককে অনুরোধ করেন কিনা।

আরও পড়ুনঃচিনের ভিভোকে সরিয়ে ঘোষণা আইপিএলের নতুন টাইটেল স্পনসররের নাম, হাফ ছাড়ল সৌরভের বোর্ড

আরও পড়ুনঃরাজীব গান্ধি খেলরত্ন পাচ্ছেন রোহিত শর্মা, মোট ৪ জনের নাম পাঠানো হল প্রস্তাবে

যদিও মাঠে ফেরার সিদ্ধান্ত কোনও প্লেয়ারের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। ধোনি প্রসঙ্গে শোয়েব আখতার বলেছেনন,'২০২১ টি টি-২০ বিশ্বকাপ খেলার সিদ্ধান্তটি একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত। তবে আমি মনে করি, ও টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে পারত। ভারতীয় সমর্থকরা যেভাবে তারকাদের সমর্থন করে, যেভাবে তাদের ভালোবাসে ও স্বীকৃতি দেয়, তাতে ও অনায়াসে টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে পারত। তবে ধোনি সব কিছু জিতেছে, রাঁচির এক ব্যক্তি পুরো ভারতকে কাঁপিয়ে তুলেছে৷ আর কী দরকার? দিনের শেষে, বিশ্ব ওকে স্মরণ করবে। ভারতের মতো এক জাতি, কখনও তোমাকে ভুলে যাবে না।'