করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে ইতিমধ্যে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সর্বত্র এই লকডাউন চলবে।  ঘরবন্দি থাকাটা কতটা জরুরী একাধিক বার্তায় দেশজুড়ে প্রচার করা হচ্ছে। সচেতনতার প্রচারে এগিয়ে এসেছেন দেশের একাধিক ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব। সেই তালিকায় রয়েছেন সচিন তেন্ডুলকর, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি থেকে পিভি সিন্ধু, সানিয়া মীর্জা, হিমা দাসরা। কিন্তু তারপরও সরকারি নিয়ম ও স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে রাস্তায় বেরিয়েছেন প্রচুর মানুষ। যার ফলে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবার অভিনব পদক্ষেপ নিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

আরও পড়ুনঃকরোনা মোকাবিলায় ২ লক্ষ টাকা অনুদান দিলেন বাংলার আম্পায়াররা

আরও বৃহত্তর ভাবে এই বার্তা দেশবাসীর কাছে পৌঁছ দিতে দেশের সেরা চার ক্রিকেট আইকন শচীন, সৌরভ, বিরাট ও রোহিতকে পাশে চাইছেন মোদী। এই সময় ঘরে থাকাটা কতটা জরুরি সেই নিয়েই এবার চার প্রবাদপ্রতিম ক্রিকেটারের সঙ্গে লাইভে আলোচনায় আসতে চলেছেন মোদী। কারণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন সামনের কয়েক সপ্তাহ আরও কঠিন সময় আসতে চলেছে। তাই ভারতীয় ক্রিকেটারদের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়েই দেশবাসীকে ঘরে থাকার জন্য অনুরোধ জানানোই প্রধানমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য । ভারতীয় ক্রিকেটারদের দেশে ভগবানের আসনে বসানো হয়। তাঁদের আবেদনের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। সে কারণেই জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃ্দ্ধি করতে এই চার ক্রিকেটারকে এক মঞ্চে এনে বার্তা দিতে চান প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃকেন বাবার হাতে মার খাচ্ছেন যুজবেন্দ্র চাহল, দেখুন ভাইরাল ভিডিও

আরও পড়ুনঃকরোনা ভাইরাসের জেরে পিছিয়ে যেতে চলেছে ২০২১ মহিলা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ

জানা গিয়েছে করোনা সমস্যার মোকাবিলা নিয়ে শুক্রবার সকালে বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, শচীন তেন্ডুলকর, ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও তাঁর ডেপুটি রোহিত শর্মার সঙ্গে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী। লকডাউন পরিস্থিতিতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই বৈঠক হতে চলেছে। ভিডিও কনফারেন্সের এই আড্ডায় প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সচেতন করার পাশাপাশি চারজন ক্রিকেটারের কাছ থেকেও করোনা মোকাবিলা নিয়ে মতামত নেবেন। জাতীয় চ্যানেলে সকাল ১১ টায় এই ভিডিও বৈঠকটি সম্প্রচার করা হবে। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় পিএমও-র টুইটার, ফেসবুক পেজগুলিতেও বৈঠক সম্প্রচার করা হবে। কেন্দ্রের এই অভিনব ভাবনা কতটা শোনেন দেশবাসী, নির্দেশ মত লকডাউন ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলেন কিনা এখন নজর সেদিকেই।