টি-টোয়েন্টু বিশ্বকাপ নিয়ে যতই বাড়ছে অনিশ্চয়তা, ততই উজ্জ্বল হচ্ছে আইপিএলের সম্ভাবনা। কিন্তু টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও আইসিসি না নেওয়ায় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার উপর বেজায় চটেছে বিসিসিআই। অপরদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না হলে, সেই সময় আইপিএল হওয়াকে আটকাতে কোমড় বেধে ময়দানে নেমে পড়েছে পাকিস্তান। আগে একাধিকবার পিসিবি এই বিষয়ে সরব হয়েছে। এশিয়া কাপের পক্ষেও সওয়াল করেছে পিসিবি কর্তারা। এবার ইনজামাম উল হকও আসরে নামল আইপিএলকে রোখার জন্য।

আরও পড়ুনঃসুযোগ পেয়েছিলেন ভারতীয় দলের কোচ হওয়ার,কিন্তু কেনও প্রত্যাখ্যান করছিলেন রাহুল দ্রাবিড়

ইনজামাম বিসিসিাই উপর চাপ সৃষ্টির পাশাপাশি  আইসিসি ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল-সহ বাকি সব দেশকে আইপিএলের বিরুদ্ধে একজোট করার চেষ্টাও করলেন। ইনজামাম জানান,'এ রকম শোনা যাচ্ছে যে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ হবে। ভারতীয় বোর্ড শক্তিশালী। আইসিসিতে ভারতের নিয়ন্ত্রণও রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া যদি বলে যে কোভিড-১৯ অতিমারির জন্য বিশ্বকাপ আয়োজনে তারা অক্ষম, তবে তা সহজেই মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু, যদি সেই সময়েই একটা বেসরকারি লিগ হয়, তবে প্রশ্ন উঠবেই। ভারতীয় বোর্ড যদি আট দলের একটা প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে পারে, তবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া কেন তা পারবে না?'

আরও পড়ুনঃদর্শকশুন্য গ্যালারিতে ক্যারিবিয়ানদের মুখোমুখি হবে ব্রিটিশরা, ব্যবস্থা থাকবে কৃত্রিম শব্দ ও গানের

আরও পড়ুনঃদীর্ঘদিন পর ফ্রি কিক থেকে গোল দেগেছেন রোনাল্ডো,জেনে নিন সি আর সেভেনের কেরিয়ারের সেরা সাতটি ফ্রি কিক সম্পর্কে

এছাড়া 'অন্য একটা বিষয় হল, আইসিসির এই সব ঘরোয়া লিগগুলিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের থেকেও বেশি গুরুত্ব পেতে দেওয়া উচিত নয়। এর ফলে তরুণ ক্রিকেটাররা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বদলে ঘরোয়া লিগের দিকেই ঝুঁকতে শুরু করবে।' শেষে ইনজামাম বলেন, ‘এশিয়া কাপের সূচির সঙ্গেও অন্য একটা টুর্নামেন্টের সময় নিয়ে বিবাদ দেখা দিয়েছে। আইসিসি ও এসিসির উচিত বাকি সব বোর্ডগুলির সঙ্গে আলোচনা করে একটা কড়া বার্তা দেওয়া। যাতে কোনও ঘরোয়া লিগ এতটা প্রাধান্য না পায়।’ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, ইনজামামের বক্তব্য থেকে এটুকু পরিষ্কার যে প্রকারন্তরে আইপিএলকে রোখার জন্যই পিসিবির পর আসরে নেমেছেন ইনজামাম উল হক।