২০ লক্ষ টাকায় বিক্রি হল বাংলাদেশি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ব্যাট।  এই ব্যাট দিয়েই ২০১৯ বিশ্বকাপ মাতিয়েছিলেন সাকিব। করোনা ভাইরাসের জেরে বাংলাদেশে দ্রুত বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। পরস্থিতি মোকাবিলায় এগিয়ে এসেছেন সেদেশের ক্রিকেটাররা। সাকিব আল হাসানও সিদ্ধান্ত নেন তার বিশ্বকাপের ব্য়াটটি নিলামে তোলার। ৫ লক্ষ টাকা থেকে ব্যাটটির নিলাম মূল্য ধার্য করেন সাকিব। সেই মূল্যের চারগুন বেশি দামে বিক্রি হল ব্যাটটি। যার পুরোটাই ব্যবহৃত হবে বাংলাদেশের করোনা আক্রান্তদের সেবা ও চিকিৎসায়। নির্ধারিত সময় বুধবার রাত ১১টার কিছু পরে শেষ হয় নিলাম। ২০ লক্ষ টাকায় ‘অকশন ফর অ্যাকশন’-এর ফেসবুক পেজে বিড করে ব্যাটটি কিনে নিয়েছেন রাজ নামের একজন আমেরিকা প্রবাসী ব্যবসায়ী। তিনি নিউ জার্সিতে থাকেন।ধবার দুপুর থেকে ব্যাটটি নিলামে তোলা হয়, চলে রাত ১১টা পর্যন্ত। নিলাম থেকে প্রাপ্ত অর্থর পুরোটাই ‘দ্য শাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন’-এ চলে যাবে। যেটা ব্যয় করা হবে অসহায়, দুস্থদের জন্য।

আরও পড়ুনঃআইলিগের ফিরতি ডার্বির টিকিটের দাম ফেরত চিয়ে ইষ্টবেঙ্গলকে চিঠি দিল মোহনবাগান

গত বছর ইংল্যান্ডে হওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত সফল ছিলেন সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের অলরাউন্ডার আট ম্যাচে করেছিলেন ৬০৬ রান। বিশ্বকাপে দুটো সেঞ্চুরি ও পাঁচটা হাফ-সেঞ্চুরি করেছিলেন সাকিব। গড় ছিল ৮৬.৫৭। শুধু ব্যাট হাতেই নয়, বোলার সাকিবও সাফল্য পেয়েছিলেন। নিয়েছিলেন ১১ উইকেট। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ক্রিকেটার যিনি কোনও টুর্নামেন্টে ছ’শোর বেশি রান নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দশের বেশি উইকেট নিয়েছেন।যে ব্যাটে এসেছিল এত রান, করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সেই ব্যাটটিই নিলামে বিক্রি করে দিলেন সাকিব। বাংলাদেশি অলরাউন্ডারের।

আরও পড়ুনঃ'২০০৮ সালে ধোনিকে নিয়ে আমার বুকে ছুরি বসিয়েছিল চেন্নাই',বিস্ফোরক দীনেশ কার্তিক

আরও পড়ুনঃলকডাউনে ব্যাট ছেড়ে ম্যাজিশিয়ান হ্য়ারি, ভাইরাল ভিডিও

দেশের বিপদের দিনের শুধু সাকিব আল হাসান বা মুশফিকুর রহিমই নয়, সাহায্যের হাত বাড়িয়ে এগিয়ে এসেছেন দলের সব ক্রিকেটার। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের মোট ২৭ জন ক্রিকেটার তাদের বেতনের অর্ধেক অংশ তুলে দিয়েছেন সরকারের করোনা মোকাবিলা সংক্রান্ত তহবিলে। বাংলাদেশ বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ৯১ জন ক্রিকেটার নিজেরা একটা তহবিলও করে ফেলেছেন। যেখানে জমা হচ্ছে লক্ষ লক্ষ। সেই টাকা খরচ করা হবে দেশের করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা ও ত্রাণ সামগ্রি বিতরনে।