শোয়েব আখতারের দ্রুততম বলের রেকর্ড ভাঙা সম্ভব এমনটাই মনে করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার শ্রীসন্থ রেকর্ড ভাঙার ক্ষমতা রয়েছে মিচেল স্টার্ক ও উমেশ যাদবের এছাড়াও ফের ভারতীয় দলের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখেন শ্রীসন্থ  

শোয়েব আখতারের করা বিশ্বের দ্রুততম বলের রেকর্ডও নাকি ভাঙা সম্ভব। এমনটাই মনে করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার এস স্রীসন্থ। ২০০৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে কেপটাউনে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বের দ্রুততম বলটি করেছিলেন শোয়েব আখতার। বলের গতিবেগ ছিল ১৬১.৩ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। তারপর কেটে গেছে অনেক গুলি বছর। এখনও অটুট সেই রেকর্ড। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে শোয়েব আখতারের বলের গতির রেকর্ড ভাঙা খুব কঠিন। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুনঃগড়াপেটা কাণ্ডে পিসিবির দুর্নীতি দমন শাখার সঙ্গে সহযোগিতা করতে নারাজ উমর আকমল

কিন্তু সেই রেকর্ড ভাঙার ক্ষমতা নাকি দুজনের মধ্যে রয়েছে। এমনটাই দাবি করলেন শ্রীসন্থ। এই ব্যাপারটি প্রমানও হয়েছে বহুবার। মিচেল স্টার্ক, ব্রেট লি, শন টেট, ডেল স্টেইনরা ঘন্টায় ১৬০ কিলোমিটার বেগে বল করলেও ভাঙতে পারেনি শোয়েব আখতারের রেকর্ড। কেরালার ছেলে, ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার শ্রীসন্থের মতে, অস্ট্রেলিয়ার দ্রুত গতির বোলার মিচেল স্টার্ক ও ভারতীয় পেসার উমেশ যাদব ভাঙতে পারে শোয়েবের রেকর্ড। তাঁদের মধ্যে সেই ক্ষমতা রয়েছে, এমনটাই ধারণা শ্রীসন্থের৷ তিনি নিজে, শোয়েব আখতারের খুব বড় ফ্যান। তিনি এও জানিয়েছেন, শোয়েব তাঁকে গতির সাথে আপোষ করতে বারন করেছিলেন। নিজের সর্বোচ্চ গতিতেই যেন শ্রীসন্থ বল করে চলেন এমনটাই চান শোয়েব আখতার। শ্রীসন্থের মত অনুযায়ীতাহলে কী রেকর্ড বদল এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা?

আরও পড়ুনঃমাতৃদিবসে মায়ের সাথে ছবি পোস্ট করলেন মাস্টার ব্লাস্টার

আরও পড়ুনঃমাদার্স ডে-তে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা ও ভালবাসা জানালেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা

শুধু তাই নয় দেশের জার্সি গিয়ে ক্রিকেটা খেলার স্বপ্ন এখনও দেখেন শ্রীসন্থ। ২০১৩ সালে আইপিএলে ম্যাচ গড়েপেটার অভিযোগ ওঠে রজস্থান রয়্যালসের শ্রীসন্থ সহ বেশ কয়েক জন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে। পরে শ্রীসন্থকে ৭ বছরের জন্য নির্বাসিত করা হয়। সম্প্রতি মুকুব হয় শ্রীসন্থের শাস্তি। তারপর থেকেই ক্রিকেটে ফেরার কথা বারবার বলেছেন ভারতীয় পেসার। ৩৭ বছর বয়স হয়ে গেলেও, এখনও হাল ছাড়তে নারাজ এস শ্রীসন্থ। তার আসা এমন কোনও দিন নিশ্চই আসবে যখন ফের জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পাবেন তিনি। সেই অপেক্ষাতেই দিন কাটাচ্ছেন ভারতের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য।