লকডাউনের পর ৮ জুলাই থেকে ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট সিরিজের মধ্যে দিয়ে ফিরতে চলেছে আন্তর্জাতিক। মঙ্গলবারই টেস্ট সিরিজের ক্রড়াসূচি ঘোষণা করেছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড। মার্চের পর দীর্ঘ তিন মাসের বিরতি কাটিয়ে আবার ফিরতে চলেছে ব্যাট-বলের লড়াই। দর্শকশূন্য গ্যালারিতে দু'টি মাঠে খেলা হবে তিনটি ম্যাচ। হ্যাম্পশায়ার ও ওল্ড ট্র্যাফোর্ড, এই দু'টি স্টেডিয়ামকে বায়ো-সিকিওর বা জৈব নিরাপদ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৮-১১ জুলাই হ্যাম্পশায়ারে খেলা হবে প্রথম টেস্ট। ১৬-২০ ও ২৪-২৮ জুলাই ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে খেলা হবে বাকি দু'টি টেস্ট। 

আরও পড়ুনঃসৌরভ,ধোনি নয়,জানেন ইরফান পাঠানের সেরা অধিনায়ক কে

ক্রিকেট ফেরার আনন্দে বিশ্বজুড়ে উৎসাহিত ক্রিকেট ভক্তরা। কিন্তু করোনা আবহে ক্রিকেটে ফিরতে আতঙ্কিত বেশ কয়েক জন ক্যারেবিয়ান ক্রিকেটার। সেই কারণেই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ খেলতে সম্মত হলেন না তিন জন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটার। ক্যারিবিয়ান নির্বাচকরা বুধবার ইংল্যান্ড সফরের জন্য ১৪ জনের দল নির্বাচিত করেন এবং ১১ জন রিজার্ভ ক্রিকেটার বেছে নেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম সারির তিন ক্রিকেটার ইংল্যান্ড সফরে যেতে অস্বীকার করেন। ড্যারেন ব্র্যাভো, শিমরন হেতমায়ের ও কীমো পল নির্বাচিকদের জানিয়ে দেন, তাঁরা এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ড সফরে যেতে আগ্রহী নন। নির্বাচক কমিটি তিন ক্রিকেটারের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তাঁদের স্কোয়াডের বাইরে রাখে। ক্যারিবিয়ান বোর্ডের তরফেও স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় যে, পরবর্তী সময়ে দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিন ক্রিকেটারের নাম যথারীতি বিবেচনা করা হবে। তাঁদের এই সিদ্ধান্তের কোনও প্রভাব পড়বে না পরবর্তী সময়ে।

আরও পড়ুনঃ'ধোনি সকলকে আগলে রাখতেন,মাঠ ও মাঠের বাইরে মাহি ভাইকে খুব মিস করি'

আরও পড়ুনঃবাইক ছেড়ে এবার ট্রাকটর,নয়া বাহনে ধরা দিলেন ধোনি

৮ জুন রওনা দেওয়ার কথা ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের। ৯ জুন ক্যারেবিয়ানরা পৌছবে ইংল্যান্ডে। তারা পরবর্তী তিন সপ্তাহ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে কোয়ারান্টাইন ক্যাম্পে থাকবে। তার পর ক্যারিবিয়ান দল প্রথম টেস্টের জন্য হ্যাম্পশায়ারের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। প্লেয়ারদের সুরক্ষার কথা মেনে আইসিসির গাইডলাইন মেনে সমস্ত ব্যবস্থা করছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান  তিন ক্রিকেটার না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় দলের শক্তি অনেকটা কমবে বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।