প্রায় তিন বছর ভারতীয় ক্রিকেট প্রশাসানকে চালিয়েছেন তারা। একাধিক বিষয়ে সমস্যার সমাধান করতে হয়েছে তাঁদের। সিওএ’র কার্যকালে একাধিক বিতর্কিত বিষয় সামনে এসেছিল, তার মধ্য সব থেকে উপরে ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সময় কোচ কুম্বলে ও অধিনায়ক বিরাট বিতর্ক। ২৩ তারিখ সৌরভের হাতে ভারতীয় ক্রিকেটের দায়িত্ব তুলে দিয়ে ক্রিকেট সেন্টার থেকে সরে এসেছেন বিনোদ রাই ও তার সিওএ। আর সরে আসার পরের দিনই বিস্ফোরণ ঘটালেন তিনি। মুখ খুললেন তাঁর সময়ের সব থেকে বিতর্কিত বিষয় নিয়ে। অনেকটা যেন নিজের কাঁধ থেকে দায় ঝেড়ে ফেলার ভঙ্গিতেই বলছেন, ‘সচিন-সৌরভরা বিতর্কের সমাধান করতে পারেনি, আমি আর কী করতাম?’

আরও পড়ুন - বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দলে নেই, মেয়ের সঙ্গে দীপাবলির প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ধোনি

বিনোদ রাই জানিয়েছেন তিনি কুম্বলের পক্ষেই ছিলেন। তাঁর মতে সেই সময় ভারতীয় দলকে কোচিং কারানর জন্য সেই মুহূর্তে অনিল কুম্বলেই ছিলেন সব থেকে যোগ্য ব্যাক্তি। যদি সেই সময় ভারতীয় কোচ চুক্তিতে কার্যকাল বাড়িয়ে দেওয়ার বিধান থাকল তাহলে তিনি কোন দিকে না তাকিয়ে কুম্বলেই আবার জাতীয় দলের কোচের পদে বসিয়ে দিতেন। কিন্তু বিসিসিআই ও কুম্বলের সেই ধারা ছিল না। তাই তিনি সচিন-সৌরভদের কাছে গিয়েছিলেন সমস্যা সমাধানের জন্য। কিন্তু তাঁদের কথাও মানেননি ভারত অধিনায়ক বিরাট। এই নিয়ে নাকি কিছুদেন আগেও সৌরভের সঙ্গে কথা হয়েছে বিনোদের। 

আরও পড়ুন - বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দল ঘোষণা, সঞ্জু-র প্রত্যাবর্তন হলেও নেই শাহবাজ

বিনোদ রাই একই রকম সমস্যায় পরেছিলেন ভআরতীয় মহিলা দলের কোচ নির্বাচনের ক্ষেত্রেও। মিতালি রাজ ও হরমনপ্রীত কৌরের মধ্যে তিক্ততা তৈরি হওয়ায় কোচের পদ খোয়াতে হয়েছিল রমেশ পাওয়ারকে। সেটাও খুব একটা খুশি করেনি বিনোদ রাইকে। লম্বা সময় ধরে বোর্ড চালিয়ে এবার তিনি ক্রিকেট সেন্টার ছেড়েছেন। এই তিন বছরে বোর্ড সামলানোর দায়িত্ব থেকে অনেক কিছুই অভিজ্ঞতা হয়েছে বিনোদ রাইয়ের। আগামী দিন হয়তো এই তিন বছরের আরও অনেক গল্পই তিনি সামনে আনবেন। 

আরও পড়ুন - দশ ওভারের ক্রিকেট চমক দেখাতে তৈরি যুবরাজ সিং