দুপুর বারোটার সময় খেলা শুরু হয়েছিল। ঐতিহাসিক টেস্ট জয় পেতে ভারতের প্রয়োজন ছিল ৪ উইকেট। খেলা শুরু পর জানা গেল তিন উইকেট নিলেই চলবে। শনিবার চোট পাওয়া মহমদুল্লা আর মাঠে নামতে পারবেন না। মিনিট ৪০ সময় নিলেন ভারতীয় বোলাররা। ইশান্ত-উমেশ সামিকে বল হাতে নেওয়ার সুযোগটাই দিলেন না। বাংলাদেশকে ইনিংস ও ৪৬ রানে হারিয়ে ঐতিহাসিক টেস্টে ঐতিহাসিক জয় টিম ইন্ডিয়ার। ঘরের মাঠে টানা সাতটি টেস্ট জয়। টানা চারটি টেস্টে ইনিংসে জয়। ৩৬০ পয়েন্ট নিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সবার ওপরে ভারত। টিম ইন্ডিয়ার এই দাপটের রহস্যটা কী? এই প্রশ্নটাই ছিল ভারত অধিনায়ক বিরাটের সামনে। 

 

 

আরও পড়ুন - ইনিংস ও ৪৬ রানে বাংলাদেশকে হারিয়ে প্রথম পিঙ্ক বল টেস্টে ঐতিহাসিক জয় ভারতের

ভারত ম্যাচ জেতার পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বোর্ড সভাপতি সৌরভ। তাঁর নামটা ইডেনে ঘোষণা হতেই গ্যালারী থেকে দাদা দাদা চিত্কার। সঞ্চালককে কিছুক্ষণ থামতে হল। একে একে পুরস্কার নিয়ে গেলেন উমেশ-ইশান্ত-রোহিতরা। এরপর চ্যাম্পিয়ন দলের নেতে বিরাটের পালা। বিরাট বললেন ইডেনের দর্শকদের ধন্যবাদ জানালেন বিরাট। পাশাপাশি সৌরভের পাশে দাঁড়িয়েই বললেন, ‘দাদার সময় থেকেই শুরু হয়েছিল এই যাত্রা।’ বিরাটের মুখে এই কথা শুনে ইডেনের গ্যালারী আরও আওয়াজ করতে শুরু করল। 

আরও পড়ুন - আগামী বছর যাবেন বাংলাদেশে, শেখ হাসিনাকে কথা দিয়েছেন সৌরভ

বিরাটর এই কথা যে একেবারেই ভুল নয়। কারণ ২০০১ সালে এই ইডেনেই অস্ট্রেলিয়ার বিজয় রথ থামিয়ে সৌরভের টিম ইন্ডিয়া একটা কড়া বার্তা দিয়েছিল ক্রিকেট বিশ্বকে। চোখে চোখ রেখে লড়াই করবে ভারত। তারপর একের পর এক সিরিজে নেতা সৌরভের হাত ধরে সেটাই প্রমাণ করেছে  টিম ইন্ডিয়া। সেই ঐতিহ্যই এখন বিরাটের হাতে। অকেন ক্রিকেট পন্ডিতই বলেন বিরাটের অধিনায়কত্ত্বে সৌরভের ছায়া দেখা যায়। প্রতিপক্ষের চোখে চোখে রেখে কথা বলতে জানে বিরাটের দল। তাই দাদার সামনে দাড়িয়েই দাদাগিরির কথা বললেন বিরাট। 

আরও পড়ুন - দিন-রাতের টেস্ট নিয়ে সৌরভকে নতুন প্রস্তাব ওয়ার্নের, রাজি হবেন কি মহারাজ