রঞ্জি ট্রফিতে দিল্লির প্লেয়ার হলেও, আইপিএলে বর্তমানে তিনি কলকাতা নাইট রাইডার্সের তারকা। ব্যাট হাতে প্রয়োজনের সময় বেশ কয়েকটি ম্যাচে জিতিয়েছেন নাইটদের। বল হাতেও পার্ট টাইম স্পিনার হিসেবে নজর কেড়েছেন তিনি। ব্যাটে-বলে উল্লেখজনক পারফরমেন্সের কারনে কেকেআর সমর্থকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় এই বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান। তিনি নীতিশ রানা। ২০১৮ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স থেকে কেকেআর শিবিরে যোগ দেন তিনি। এই নীতিশ রানা অন্ধ ভক্ত প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ও বর্তমান বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের। সৌরভ আউট হয়ে গেলে ছোট বেলায় নিজেকে ঘরবন্দি করে কাঁদতেন। এই তথ্য নিজেই জানালেন নীতিশ রানা।

আরও পড়ুনঃসোমবার থেকে অনুশীলনে ফিরছে শ্রীলঙ্কার ১৩ জন ক্রিকেটার

লকডাউনে স্মৃতিচারন করেন নীতিশ রানা। পুরনো দিনের কথা বলতে গিয়ে রানা জানান,'ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তিদের নিয়ে আমাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঝগড়া হত। আমি ছিলাম সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভক্ত। আমার ভাই পছন্দ করত রাহুল দ্রাবিড়কে। আমার বাবার প্রিয় ছিল সচিন তেন্ডুলকর। বাবার কাছ থেকে সৌরভের আউট হওয়ার খবর শুনলেই আমার মন মেজাজ খারাপ হয়ে যেত। পাশের ঘরে নিজেকে ঘরবন্দি করে নিতাম। ঘরবন্দি অবস্থায় সৌরভ আউট হওয়ার দুঃখে কাঁদতাম।' নীতিশ রানার এই সরল স্বীকারোক্তি ভালই মনে ধরেছে নেটিজেনদের।

আরও পড়ুনঃধোনিই আমার অধিনায়কত্বের প্রেরণা, অকপট স্বীকারোক্তি বিরাটের

আরও পড়ুনঃআরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে ক্রিকেট,৬-৭ মাসের মধ্যে স্বাভাবিক হবে জনজীবন,মন্তব্য সৌরভের

রাণার খেলা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল সচিনেরও। নাইট রাইডার্সের জার্সিতে খেলা মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান বলছেন, “আমার এক বন্ধু সচিন তেন্ডুলকর ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ম্যানেজার রাহুল সাংভির কথোপোকথন শুনে ফেলেছিল। সচিন স্যর আমাকে দেখে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, এই ছেলেটা কে?” সচিনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারার আনন্দ এখনও ছুঁয়ে যায় তাঁকে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে খেলার সময়ে কোচ রিকি পন্টিংয়ের পরামর্শ পান রাণা। পন্টিং বলেছিলেন, “সব সময়ে ডিফেন্স করবে না। তোমার মধ্যে মারার ক্ষমতা রয়েছে। খুব জোরে বল মারার চেষ্টা করবে।” সচিন, পন্টিংদের কথা শুনেই নিজেকে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করছেন নীতিশ রানা। এবছর আইপিএল খেলার জন্য মুখিয়ে ছিলেন তিনি। খুব খেটেওছিলেন নিজের পেছনে। কিন্তু করোনা কারণে এখন অনির্দিষ্ট কালের জন্য স্থগিত আইপিএল। তবে আইপিএল হওয়ার বিষয়ে আশাবাদী রানা।