চিজ এক ধরনের খাবার যাতে রয়েছে প্রোটিন এবং দুধের চর্বি, সাধারণত গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়ার দুধ থেকে এটি তৈরি করা হয়। এটি দুধের প্রধান প্রোটিন কেসিন থেকে তঞ্চন বা জমাট বাঁধার মাধ্যমে তৈরি করা হয়। দুধে এনজাইম যোগ করার ফলে দুধে জমে গিয়ে হয়ে চিজে পরিণত হয়। এই জমে যাওয়া অংশগুলিকে আলাদা করে ছেঁকে নিয়ে একত্রে করে চূড়ান্ত চিজের রূপ দেওয়া হয়। ইউরোপ, মধ্য এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে, যেখানে চীজ তৈরির সূচনা হয়েছিল। তবে এই বিষয়ে কোন চূড়ান্ত প্রমাণ নেই। অনেকেই মনে করেন এই প্রথাটি রোমান যুগের আগে ইউরোপের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে তৈরি যেখানেই হোক বর্তমানে বিশ্বেজুড়ে রান্নাঘরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই উপাদানটি।

আরও পড়ুন- বৃষ্টি ভেজা দিনে আড্ডা জমে উঠুক চিকেন পাহাড়ি কবাবের সঙ্গে, রইল সহজ রেসিপি

অনেকেই বলেন, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে এবং ওজন বাড়াতে চিজ সিদ্ধহস্ত। তবে সব ধরনের চিজ ক্ষতিকারক এমনটা কিন্তু ঠিক নয়। বেশ কিছু জিনিস আছে যা কম ক্যালোরিযুক্ত এবং ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনে পূর্ণ। এমনকি একটু ডায়েট মেনে চললে অল্পবিস্তর চিজ খাওয়াই যায়। আর ছোটদের তো এর প্রতি বিশেষ নজর।  আর করোনা আতঙ্কের সময়ে বাইরের জিনিস কিনে আনার থেকে বাড়িতে বানিয়ে নেওয়াই উচিত। তাই সমস্ত কিছু যখন বাড়িতে তৈরি হচ্ছে তাহল মোজারেলাটাই বা বাকি থাকে কেন।

আরও পড়ুন- বর্ষায় রসনা তৃপ্তিতে পাতে থাক স্বাদে ভরপুর গলৌটি কবাব, রইল সহজ রেসিপি

বর্তমানের এমন জটিল পরিস্থিতিতে সামান্য খরচায়ও পরিবারকে দিন স্বাস্থ্যকর খাবার। চটজলদি একটু স্বাদ বদলের জন্য চেষ্টা করছেন অনেকেই। আর প্রতিদিন এক ঘেয়ে খাবার খেতে সবথেকে কষ্ট হচ্ছে ছোটদের। তাই তাদের মন ভালো করে দিতে অবশ্যই সাধারণ খাবার দিন তবে সাজিয়ে গুছিয়ে। যাতে প্রতিদিনের সাধারণ খাবারও তাঁদের ভালো লাগে। আজ রইল অসাধারণ পদ্ধতিতে এই হোম মেড মোজারেলা চিজ তৈরির রেসিপি-