ক্রোমা না মার্কোস। জল্পনাটা চলছিলই বেশ কিছু দিন ধরে। কার জায়গায় নিজের দ্বিতীয় ইনিংসে লাল-হলুদে সই করতে চলেছেন কোস্টারিকার বিশ্বকাপার জনি আকোস্টা। অবশেষে সেই ক্রোমাকেই ছেঁটে ফেললেন ইষ্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। যদিও পুরো মরসুমে আশানুরূপ পারফরমেন্স না দিয়েও দলে রয়ে গেলেন স্প্যানিশ প্লেয়ার মার্কোস এস্পাদা।

আরও পড়ুনঃরঞ্জি ফাইনালের আগে দ্বিতীয়বার বাবা হলেন ঋদ্ধিমান সাহা

ক্লাবের শতবর্ষ হলেও, মরসুমের শুরু থেকেই হতশ্রী ফুটবল খেলছে ইষ্টেবঙ্গল। কোলকাতা লিগ হাতছাড়া হওয়ার পর আইলিগেও ট্রফির দৌড় থকে ছিটকে গিয়েছে মারিও রিভেরার দল। যদিও মরসুমের মাঝপথে কোচের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর আলেসান্দ্রো মেনেন্দেজের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেছেন রিভেরা। তার কোচিংয়ে পুরোপুরি ছন্দে না ফিরলেও, শেষ পাঁচ মাচে হারের মুখ দেখতে হয়নি ইষ্টবেঙ্গলকে। অন্যদিকে লিগের দৌড়ে সম্মানজনক জায়গায় থাকতে ফের বিশ্বকাপার জনি আকোস্টা ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেন লাল-হলুদ কর্তারা। কিন্তু কার জায়গায় আকোস্টা সই করবেন তা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। মার্কোস ও ক্রোমা এই দুটি নাম নিয়েই চলছিল জল্পনা। কিন্তু সম্প্রতি প্র্যাকটিসে কোচের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন আনসুমানা ক্রোমা।  দল ও কোচের সঙ্গে দূরত্ব বারে কোলকাতা লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার।  শুক্রবার ইষ্টবেঙ্গল অনুশীলনেও যোগ দেননি ক্রোমা। তারপরই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায় কোপ পড়তে চলেছে ক্রোমার ঘাড়েই। অথচ গোটা মরসুমে নিম্নমানের ফুটবল খেলেও দলে রয়ে গেলেন মার্কোস এস্পাদা। সোমবার অ্যাওয়ে ম্যাচে রিয়াল কাশ্মীরের বিরুদ্ধে নামছে ইষ্টবেঙ্গল। শনিবার সকালেই শ্রীনগরের উদ্দ্যেশ্যে পারি দিচ্ছে ইষ্টবেঙ্গল দল। দলের সঙ্গে যাচ্ছেন জনি আকোস্টাও। এখনও দেখার  বিষয় বিগত ১৭ ম্যাচে টানাা গোল হজম করা ইষ্টবেঙ্গল দলের রক্ষণকে কতটা ভরসা দিতে পারেন জনি।

আরও পড়ুনঃচেন্নাই অনুশীলনে পরপর ৫টি ছয়, ফিনিশ নয় এখনও ফিনিশার ধোনি

আরও পড়ুনঃফের হার্দিকের তাণ্ডব, রেকর্ড গড়ে করলেন ৫৫ বলে ১৫৮

ইষ্টবেঙ্গল থেকে ক্রোমাকে ছেঁটে ফেলা এই প্রথম নয়। এর আগেও ক্রোমার সঙ্গে একইরকম ঘটনা ঘটেছে। ইষ্টবেঙ্গলে তার দ্বিতীয় ইনিংসে জানুয়ারির শেষে সই করেছিলেন ক্রোমা। দু মাস যেতে না যেতেই মার্চের মধ্যে লাল-হলুদে বেজে গেল ক্রোমার বিদায় ঘণ্টা। অথচ এই ক্রোমাই কলকাতা লিগে কাল ঘাম ছুটিয়েছিল কলকাতার বড় ক্লাবদের। ফলে দু-মাসও সুযোগ না দিয়ে কোনও ফুটবলারকে বাদ দেওয়ার ঘটনায়, ইষ্টবেঙ্গল ক্লাবের অপেশাদারিত্বকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।