মারকানা স্টেডিয়ামে একটি নাটকীয় ফাইনাল ম্য়াচ দেখল কোপা আমেরিকা। যেখানে একই সঙ্গে বিভিন্ন ভূমিকায় দেখা গেল গাব্রিয়েল হেসুসকে। গোল করালেন, করলেন, আবার লাল কার্ড দেখে তাঁকে মাঠও ছাড়তে হল।  ম্যাচের শুরুতেই গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন এভার্টন। কিন্তু ৪৪তম মিনিটে পাওলো গুরেরো পেনাল্টি থেকে গোল করে ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে এনেছিলেন। কিন্তু প্রথমার্ধেই আরও একটি গোল করে ম্যাচে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন হেসুস। আর ম্যাচের একেবারে শেষ লগ্নে আরও একটি গোল করেন রিচার্লিসন।

শুরুতে অবশ্য ম্যাচের প্রাধান্য ছিল পেরুরই। ব্রাজিল রক্ষণে বেশ কয়েকবার আক্রমণ শানিয়েছিল তারা। কিন্তু গোল করার ব্যর্থতায় ধীরে ধীরে ম্য়াচের নিয়ন্ত্রন নিজেদের হাতে নেয় ব্রাজিল। ম্যাচের ১৫ মিনিটের মাথাতেই ডানপ্রান্ত ধরে হেসুস গতিতে পেরু রক্ষণভাগকে পরাস্ত করে বক্সের মধ্যে দ্বিতীয় পোস্টে এভার্টনের জন্য একটি চমৎকার ক্রস বাড়িয়েছিলেন। যা থেকে দুর্দান্ত ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন এভার্টন।

এরপর বক্সের মধ্যে থিয়াগো সিলভা হ্যান্ডবল করলে পেনাল্টি পায় পেরু। গুরেরো ম্যাচের সমতা ফিরিয়ে আনেন। কিন্তু তাদের সুসময় বেশিক্ষণ যায়নি। চার মিনিট বাদেই ইয়োতুনের থ্রু বল ধরে গোল করে যান সেই হেসুস। প্রথমার্ধের শেষে ব্রাজিল এগিয়েছিল ২-১ গোলে।

আরও পড়ুন - চতুর্থবার বিশ্বজয়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র! সমাপ্ত একমাসের ফুটবল যুদ্ধ

আরও পড়ুন - পিছনে পড়লেন লিওনেল মেসি, আগে ভারত অধিনায়ক

আরও পড়ুন - মেসির স্বপ্নভঙ্গ করে কোপার ফাইনালে ব্রাজিল, ম্যাচের নায়ক জেসুস

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকে সমতা ফেরানোর লক্ষ্যে ঝাঁপিয়েছিল পেরু। ব্রাজিল রক্ষণকে রীতিমতো নাস্তানাবুদ করে ছাড়ে পেরুভিয়ানরা। এরমধ্যএ আবার ৭০ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখার কারণে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় হেসুসকে। ফলে আরও চাপ বাড়ায় পেরু। ৭৩তম মিনিটে এডিসন ফ্লোরেস প্রায় গোল করে ফেলেওছিলেন।

কিন্তু, কেলার একেবারে অন্তিম লগ্নে কার্লোস জাম্ব্রানো বক্সলের মধ্য়ে এভার্টনকে ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টি দেন। পরিবর্ত হিসেবে নামা রিচার্লিসন গোল করতে ভুল করেননি।

ফলে ঘরের মাঠে নবম কোপা আমেরিকা ট্রফি জিতল ব্রাজিল।