আরও সঙ্কটজনক কিংবদন্তী ফুটবল কোচ পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার রাতে মেডিক্যাল বুলেটিনে জানানো হয়  মাল্টি অর্গান ফেলিওর হয়েছে পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রয়েছে পারকিনসন ডিজিজ, ডিমেনশিয়া,নিউমোনিয়া এবং হৃদযন্ত্রের সমস্যা। সোমবার রাত থেকে এখনও পর্যন্ত চিকিৎসায় সাড়াও দিচ্ছেন না পিকে। বর্তমানে গভীর সঙ্কটজনক অবস্থায় ভেন্টিলেশনে রয়েছেন তিনি। মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকরা সর্বক্ষণ নজর রাখছেন পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক পরিস্থিতির উপর।

আরও পড়ুনঃকরোনার জেরে সাময়িকভাবে বন্ধ হল বিসিসিআই ও সিএবি দফতর, কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ

৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়-কে ই এম বাইপাসে মুকুন্দপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। কিছু সময়ের জন্য ভেন্টিলেশনের বাইরে আনা হলেও পরে ফের তাঁকে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়। তৈরি করা হয় মেডিক্যাল বোর্ড। চিকিৎসায় সাড়া দিলেও পিকে অবস্থা কখনই সঙ্কটমুক্ত বলে ঘোষণা করেননি চিকিৎসকরা। মেডিক্যাল বোর্ড সমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার উপরে নজর রেখে গিয়েছে। পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিউমিনিয়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য কিছু জটিল রোগের উপসর্গ ছিল। এর জন্য তিনি নিয়মিত ওষুধও খেতেন। 

আরও পড়ুনঃএবার স্থগিত হয়ে গেল পাকিস্তান সুপার লিগ,ক্রীড়া ক্ষেত্রে অব্যাহত করোনার থাবা

আরও পড়ুনঃবন্ধ আইপিএলের সব দলের প্রস্তুতি শিবির, টুর্নামেন্ট না হলে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির

 পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের লোক সমানে চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রখেছেন। মাঝখানে বেশ দ্রুত উন্নতি করছিলেন পিকে। কিন্তু, দিন দুই থেকে শ্বাসকষ্ট বাড়তে থাকে। চিকিৎসায় সাড়া দেওয়াটাও ছিল মন্থর। সোমবার রাত থেকে আচমকাই চিকিৎসায় এক্কেবারে সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন পিকে। এরপর থেকেই চিকিৎসক ও নার্সরা সমানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন পিকে-কে স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে।  কিংবদন্তি কোচের শারীরিক অবস্থা-র কথা শুনে সোমাবার রাতে হাসপাতালে যান রাজ্যের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।  কিন্তু, মঙ্গলবার দিনভর আরও অবস্থার অবনতি হয়েছে কিংবদন্তী ফুটবল কোচের। ময়দানের প্রিয় ভোকাল টনিক কোচের সুস্থতা কামনা করছেন সকলে।