ফিরেই ভক্তদের মন জয় করতে উঠেপড়ে লেগেছে ইউরোপিয়ান ফুটবল। প্রতিটি লিগে হয়ে চলেছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। সেই ম্যাচগুলি যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি দৃষ্টিনন্দন। ইপিএলের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে গিয়েছে। সেই লিগে এখন লড়াই চলছে ইউরোপিয়ান আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাগুলিতে যোগ্যতা অর্জনের। লিভারপুল এবং ম্যানচেস্টার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে যোগ্যতা অর্জন নিশ্চিত। বাকি জায়গাগুলো নিয়ে লড়াই চলছে লেস্টার সিটি, চেলসি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, উলভস প্রভৃতি দলগুলির। 

আরও পড়ুনঃপরিবার সহ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত 'অন্য সচিন'

আরও পড়ুনঃমঙ্গলবার করোনা রিপোর্ট পজেটিভ,বুধবার নেগেটিভ,অবাক মহম্মদ হাফিজ

লা লিগায় গত পরশু আতলেতিকো বিলবাওকে হারিয়ে লিগ শীর্ষে পৌঁছেছিল বার্সা। রাকিতিচের গোলে জয় পেয়েছিল তারা। কাল রাতে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে সুযোগ ছিল রিয়াল ম‍্যালোরোকাকে হারিয়ে পুনরায় সেই জায়গা দখল করার। এবং ঠিক তাই করলো রিয়াল মাদ্রিদ। প্রথমে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের গোল এবং পরে দ্বিতীয়ার্ধে অধিনায়ক সার্জিও রামোসের অসাধারণ ফ্রি কিকে ভর করে ম‍্যালোরোকাকে ২-০ গোলে হারায় তারা। ফলে সমান পয়েন্ট (৬৮) নিয়েও মুখোমুখি সাক্ষাতে বার্সেলোনার থেকে এগিয়ে থাকায় লিগ শীর্ষে থাকলো রিয়াল মাদ্রিদ।

সিঁরি আ তে রোনাল্ডো এবং দিবালার গোলে ফুটবল ফেরার পর নিজেদের প্রথম ম্যাচটি জিতেছিল জুভেন্তাস। দ্বিতীয় স্থানে থাকা লাৎজিওর কাছে সুযোগ ছিল এদিন ম্যাচ জিতে ব্যাবধান কমানোর। কিন্তু লিগে চার নম্বরে থাকা আটালান্টা-কে হারাতে ব্যর্থ হল তারা। ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটেই দুই গোলে এগিয়ে গিয়েও ৩-২ গোলে হেরে মাঠ ছাড়ে তারা। চলতি মরশুমে এই নিয়ে লিগের খেলায় ৭৭ গোল করে ফেললো। অন্য কোনও ইতালিয়ান লিগের দল তাদের ধারে কাছে নেই এইদিক দিয়ে। এই হারের ফলে জুভেন্তাসের সঙ্গে লাৎজিওর পয়েন্ট পার্থক্য দাঁড়ালো ৪ পয়েন্টের। বাকি লিগে এই ব্যাবধান ঘোচে কিনা সেদিকে নজর থাকবে। ইতালিয়ান লিগের অপর এক ম্যাচেও পিছিয়ে পরে সাম্পাদরিয়া-কে ২-১ গোলে হারায় রোমা।